পটুয়াখালী-বরিশাল মহাসড়কে পায়রা সেতু চালু হওয়ায় কর্মহীন হয়ে গেছে এক হাজারেও বেশি মানুষ। প্রথম থেকেই তারা পুনর্বাসনের দাবি তুললেও আজো কোন ব্যবস্থা হয়নি।
তাই এই মুহূর্তে কাজের জন্যে পায়রা ঘাটে, লঞ্চ টার্মিনাল বসানোর দাবি তুলেছেন তারা। যাতে করে জীবন ও সংসার চালিয়ে নিতে পারেন তারা।
এখন অনেকটাই সুনসান নীরব লেবুখালী ঘাট। অথচ গেলো ২৩ অক্টোবরেও ছিলো যাত্রীদের আনাগোনা আর দোকানের বেচাকেনায় মুখর।
কিন্তু ২৪শে অক্টোবর পায়রা সেতু উদ্বোধনের সাথে সাথেই পাল্টে গেছে ঘাটের চেহারা। বন্ধ হয়ে গেছে ফেরি পারাপার। সেই সাথে থেমে গেছে ৪১ বছরের কোলাহল।
ঘাটেই বাধা রয়েছে তিনটি ফেরি। বন্ধ হয়ে গেছে ঘাটের বেশিরভাগ দোকান। এতে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে দুই পাড়ের শতাধিক দোকানি ও ফেরিওয়ালার জীবিকা-জীবিকা।
আরও পড়ুন: আসছে না প্রত্যয়, চলছে তৃতীয় দিনের উদ্ধারকাজ
ফেরির স্টাফরাও কাটাচ্ছেন অলস সময়। তারাও অপেক্ষা করছেন নতুন কোনো ঘাটে কাজের সুযোগ পাওয়ার। নতুন কর্মক্ষেত্র কোথায় হবে তা নিয়েও রয়েছে শঙ্কা।
পায়রা সেতু প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী আবদুল হালিম জানালেন, সেতুর দক্ষিণ পাড়ে ১,৪০০ মিটার নদী শাসনের আওতায় ব্লক বসানো হবে। তবে, বেকার হয়ে পড়া মানুষদের পুনর্বাসনের বিষয়ে কোনো আশার বানী শোনাতে পারেননি তিনি।
লেবুখালী ফেরিঘাট বন্ধ হওয়ায় বর্তমানে বেকার সময় কাটাচ্ছেন ছয় সাত ধরনের পেশার এক হাজারের বেশি মানুষ। আগের মতো লঞ্চ টার্মিনাল স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন তারা।
একাত্তর/এসজে