নাব্য সঙ্কট ও তীব্র স্রোতের কারণে প্রায় অচলাবস্থায় রয়েছে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুট। অন্যদিকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও ঘাট সঙ্কটের কারণে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। দুই নৌরুটেই যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করতে গিয়ে হিমসিম খাচ্ছে ঘাট কর্তৃপক্ষ।
রোববার (৩১ অক্টোবর) সকালেও ঢাকা খুলনা মহাসড়কের দৌলতদিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে বাংলাদেশ হ্যাচারিচ পর্যন্ত চার কিলোমিটার এলাকায় যানবাহনের বাড়তি চাপ রয়েছে।
যাত্রীবাহী বাস ও পন্যবাহী ট্রাক ছাড়াও দৌলতদিয়া ঘাট থেকে বারো কিলোমিটার পিছনে গোয়ালন্দ মোড় এলাকা পর্যন্ত আরও দুই কিলোমিটার এলাকায় পারাপারের অপেক্ষায় আটকে পরে অন্তত সাতশ' যানবাহন।
চালকেরা জানান, এখন ঘাটের নাগাল পেতে প্রতিটি পন্যবাহি ট্রাককে অপেক্ষা করতে হচ্ছে চার থেকে পাঁচ দিন। আর যাত্রীবাহী বাসকে আগে যেতে দেওয়ার পরও অন্তত ৭ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
আরও পড়ুন: বিশ্বকে 'বাঁচানোর' রূপরেখা নিয়ে ইউরোপ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাটের ব্যাবস্থাপক জামাল হোসেন জানান, পাটুরিয়া পাঁচ নম্বর ফেরি ঘাটের কাছে আমানত শাহ ফেরি ডুবে যাওয়ার কারণে ওই ঘাটটি বন্ধ রয়েছে। এছাড়া দৌলতদিয়ায় নদীর স্রোতের কারণে ফেরিগুলোকে লোডিং আনলোডিং হতে সময় লাগছে বেশি। আর শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটের যানবাহন এই নৌরুট ব্যাবহার করায় বাড়তি চাপ বেরেছে যে কারণে পারাপারে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, যাত্রী ভোগান্তির কথা চিন্তা করে যাত্রীবাহী বাসগুলোকে অগ্রাধীকার ভিত্তিতে পারাপার করানো হচ্ছে। দৌলতদিয়া পাটুরিয়া নৌরুটে বর্তমানে ১৫ টি ফেরি দিয়ে পারাপার অব্যাহত আছে।