নির্বাচনী প্রচারে জমে উঠেছে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন ও ভাঙ্গা উপজেলার ১৫ টি ইউনিয়ন। পাশাপাশি চলছে হুমকি-ধামকিসহ পাল্টপাল্টি নানা অভিযোগ।
নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর চেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীর সংখ্যা প্রায় তিনগুণ বেশি হওয়ায় নৌকার প্রার্থীরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। বিদ্রোহী প্রার্থীর বিরুদ্ধে কালো টাকা ছড়ানো এবং হুমকি ধামকিসহ আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠছে। পাশাপাশি পরস্পরের মধ্যে চলছে, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ।
তবে পাল্টা অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরাও। আর ভোটাররা বলছেন, প্রভাবিত না হয়ে, সুখে-দু:খে পাশে পাওয়া যায়, এমন প্রার্থীই বেছে নেবেন তারা।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ কাউকে দেয়া হবে না। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন কুমার রঞ্জন বলেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি এবং নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে, মাঠ পর্যায়ে রয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
নির্বাচন কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেছেন, তৃতীয় ধাপের নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করতে সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
এই এলাকায় ১৫টি ইউনিয়নে ৯৮ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী যেখানে ১৫ জন, সেখানে ৭৪ জনই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী।
একাত্তর/ এনএ