এবছর হবিগঞ্জে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন হলেও দাম পাচ্ছেন না বাগান মালিকরা। উৎপাদন ব্যয় বাড়ায় ক্রমশ লোকসানের দিকে এগোচ্ছে বাগানগুলো। এর মধ্যে বাজারে যুক্ত হচ্ছে চোরাপথে আসা ভারতীয় চা। যে কারণে প্রত্যেক বাগানেই অবিক্রিত থাকছে বহু চা।
এবছর দেশের চা বাগানগুলোতে ১০ মাসেই লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ কোটি ৭৭ লাখ কেজি। এর মধ্যে শুধু অক্টোবর মাসেই শুধু উৎপাদন হয়েছে ৭ কোটি ৯৩ লাখ কেজি। কিন্তু বাগান মালিকদের অভিযোগ ঠিক ঠাক দাম পাওয়া যাচ্ছে না।
২০১৯ সালে কেজি প্রতি চায়ের দাম ২৬২ টাকা থাকলেও চলতি বছর তা ১৮৯ টাকা। মালিকরা বলছেন, দেশি বাজারে চাহিদা কমে যাওয়া ও ভারত থেকে অবৈধ পথে নিম্নমানের চা দেশে আসায় চায়ের দাম পাচ্ছেন না তারা।
বলেন, চায়ের ন্যায্য মূল্যের উপর নির্ভর করে শ্রমিকসহ বাগানের নানা উন্নয়ন। অথচ দাম না পাওয়ায় মারাত্মক হুমকিতে পড়তে হয়েছে তাদের।
তাই চা শিল্প রক্ষায় সরকারি প্রণোদনা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন চা বাগান মালিকরা। হবিগঞ্জ জেলায় মোট ২৪টি চা বাগান রয়েছে। পাশাপাশি এ জেলায় লক্ষ্যমাত্রা এক কোটি ২৫ লাখ কেজি ধরা হলেও এখানে উৎপাদন হয়েছে এক কোটি ৩৫ লাখ কেজি।