জাওয়াদের প্রভাবে সারাদেশে বৃষ্টি হচ্ছে, যা বজায় থাকবে মঙ্গলবারও। নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র রয়েছে উত্তাল অবস্থায়। টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে জোয়ারের পানি বেড়ে তলিয়ে গেছে নিচু এলাকা। সমুদ্র বন্দর গুলোতে এখনো তিন নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল আছে।
আবহাওয়া দপ্তর বলছে, জাওয়াদ আরও দুর্বল হয়ে সোমবার সন্ধ্যা নাগাদ লঘুচাপে পরিণত হতে পারে। মূলত বৃষ্টি ঝড়িয়ে বাংলাদেশে এসে ঘূর্ণিঝড় নিঃশেষ হয়ে যাবে জাওয়াদ।
আর এই সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে খুলনা, রাজশাহী, ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম-এই পাঁচ বিভাগে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
জাওয়াদ দুর্বল হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবার পর, গেল টানা তিন দিন ধরে বাগেরহাটের সুন্দরবন উপকূলে উত্তাল রয়েছে সাগর। ব্যাহত হচ্ছে মোংলা বন্দরের কার্যক্রমও।
সারা রাত ভারি বৃষ্টিতে নিচু এলাকার বাড়ি, ফসলের ক্ষেতে পানি ঢুকে পড়েছে। ক্ষতির আশঙ্কা উচ্চ ফলনশীল ধানের। পানির উচ্চতা বাড়ায় শীতের সবজি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।
এদিকে সাগর উত্তাল থাকায় জেলেরা আশ্রয় নিয়েছে রায়েন্দা খাল ও সুন্দরবনসহ সাগর তীরে কাছে খালগুলোতে। দুবলার চরে জেলেদের বিপুল পরিমাণ শুঁটকি নষ্ট হয়ে গেছে।
খুলনায় সকাল ছটা থেকে নয়টা পর্যন্ত ১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। বরগুনা উপকূলে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা অন্তত তিন হাজার ট্রলারের সাথে যোগাযোগ করা যায়নি।
সকাল নয়টা পর্যন্ত ৩২ মিলিমিটার বৃস্টিপাত হয়েছে পটুয়াখালীতে। নদ-নদীতে জোয়ারের পানি বেড়েছে। তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে আমন ধান ও আগাম তরমুজ ক্ষেত।
একাত্তর/এআর