কক্সবাজারে গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার জিয়া গেস্ট ইনের ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন ছোটনকে চার দিনের রিমান্ডে নেয়ার অনুমতি দিয়েছে আদালত।
এদিকে, ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত আশিক, বাবু ও জয়ের বিরুদ্ধে মামলাসহ নানা অপরাধের অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আশিকের নেতৃত্বে ওই গ্রুপটি প্রতি রাতে ঝাউবনে অপকর্ম চালাতো। আশিকের কব্জা থেকে রক্ষা করতে চা দোকানি ছেনোয়ারাকে অনুরোধ করেছিলেন ওই গৃহবধূ।
কিন্তু প্রাণের ভয়ে ছানোয়ারা সহযোগিতা করেননি। তবে, পুলিশ বলছে অপরাধী কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।
সৈকত পোস্ট অফিস সংলগ্ন সড়কে চা বিক্রি করেন ছেনোয়ারা বেগম। বুধরাত রাতে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত আশিক ওই গৃহবধুকে নিয়ে আসেন তার দোকানে।
সেখানে তিনি দেখতে পান বাকবিতন্ডতায় জড়ানো গৃহবধূ ও আশিককে। একটু পর আশিক সরে গেলে চায়ের দোকানির কাছে সাহায্য চান ওই গৃহবধূ। কিন্তু ভয়ে সাহায্য করতে পারেননি।
ট্যুরিস্ট পুলিশ সুপার জিল্লুর রহমান জানান, আশিক কিছু দিন আগে জেল থেকে ছাড়া পায়। তার বিরুদ্ধে ১৬টির মতো বিভিন্ন অপরাধ সংগঠিত করার অভিযোগে মামলা রয়েছে। তাছাড়া আশিক, বাবু ও জয়ের বিরুদ্ধে মামলাসহ নানা অপরাধের অভিযোগ আছে।
অভিযুক্তদের আশ্রয়দাতা হিসেবে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির বিশেষ মুহুর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হয়েছে। তবে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দাবি, তিনি দায়িত্ব নেয়ার পর অনেকেই তার সাথে ছবি তুলেছেন।
জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান জানিয়েছেন, অপরাধীদের যারা প্রশ্রয় দিয়েছেন তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।
বুধবার (২২ ডিসেম্বর) দিনগত রাত দেড়টার দিকে কক্সবাজার হোটেল-মোটেল জোনের জিয়া গেস্ট ইন নামের হোটেলে স্বামী সন্তানকে জিম্মি করে ধর্ষণের অভিযোগ করেন এক গৃহবধূ।
একাত্তর/এআর