কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার প্রথম পর্বের কাজ শেষের পথে। এই ফেব্রুয়ারিতে ২৪ ঘণ্টার বিমান উঠানামা শুরু হবে।
কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ঘোষণা করা হবে ২০২৩ সালের জুনে। এতে পর্যটননগরী কক্সবাজারের দৃশ্যপটই বদলে যাবে।
ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের পর, কক্সবাজারকে বাংলাদেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিণত করার পরিকল্পনা নেয় সরকার।
এরমধ্যে রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে বিমানবন্দরের ৯ হাজার ফুট রানওয়ে নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। চলছে এয়ারফিল্ড গ্রাউন্ড নির্মাণ এবং লাইটিং সিস্টেম বসানো।
একসঙ্গে এক হাজার জনের আসা যাওয়ার জন্যে এক লাখ ১০ হাজার বর্গফুটের প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল নির্মাণের কাজও শেষের পথে। বাকি কাজও দ্রুত শেষ হবে।
বোয়িং ট্রিপল সেভেনের মতো বড় বড় উড়োজাহাজ নামার জন্য সব অবকাঠামো নির্মাণ হচ্ছে। ফলে সুগম হবে যে কোন ধরনের আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের চলাচল।
সিভিল এভিয়েশনের প্রকৌশলী জানান, এরই মধ্যে বিমানবন্দরের রানওয়ে ৬৭৭৫ ফুট থেকে ৯ হাজার ফিট এবং প্রস্থ ১২০ ফিট থেকে ২০০ ফিটে উন্নীতকরার কাজ শেষ হয়েছে।
এই রানওয়ে সমুদ্রের মধ্যে বর্ধিত হচ্ছে ১ হাজার ৩০০ ফুট। ফলে উড়োজাহাজ অবতরণ ও উড্ডয়নের সময় উড়োজাহাজের দুই পাশে থাকবে বঙ্গোপসাগরের জলরাশি।
আর, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জানালেন, আসছে ফেব্রুয়ারি থেকেই কক্সবাজার বিমানবন্দরে ২৪ ঘণ্টা উড়োজাহাজ ওঠানামা করবে।
বিমানবন্দরে পুরোদমে সংস্কার কাজ চলছে। ইতোমধ্যে ৬৫ শতাংশ কাজ শেষ। করোনার কারণে কিছুটা বাড়তি সময় লাগলেও নির্ধারিত সময়েই কাজ শেষ বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন: দুই সপ্তাহ পিছিয়ে গেলো এবারের বইমেলা
বিমানবন্দরের কাজের অগ্রগতি দেখতে এসে সংসদের অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি উপাধ্যক্ষ ড. আব্দুস শহীদ জানান, এখানে তৈরি হবে আঞ্চলিক এভিয়েশনের হাব।
তিনি বলেন, সমুদ্র ছুঁয়ে নামবে বিমান। এটি বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে মাইলফলক হয়ে থাকবে। বিমানবন্দরটি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হলে বিদেশি পর্যটকও বাড়বে।