বরিশালের নদ-নদীতে মিলছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ

ইলিশ ধরা পড়ছে বরিশালের মেঘনা ও এর আশেপাশের নদীগুলোতে। জেলেরা বলছেন গেল তিন থেকে চার বছরের তুলনায় এবার ইলিশের পরিমাণ অনেক বেশি। তবে বড় ইলিশ কম। 

এদিকে মাছ বেশি থাকায় বাজারে কম দামে মিলছে মাছ। আর এনিয়ে খুশি ক্রেতারা। দেড় কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৩৫০ টাকা, আর এক কেজি মিলছে ১১০০ টাকায়। 


বৈরি আবহাওয়ার কারণে, ইলিশের প্রধান মৌসুমেও বরিশালের নদীগুলোতে মিলছিলো না ইলিশ। আর এতে হতাশ ছিলো জেলেরা। 

তবে এবার হাসি ফুটেছে জেলেদের মুখে। গেল এক সপ্তাহ ধরে মেঘনা ও এর আশেপাশের নদীগুলোতে দেখা মিলছে ইলিশের। আর সে মাছ নিয়ে পাইকাররা আসছেন মোকামে। 

ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা ছাড়াও, করোনার প্রভাবে বেশ কিছু সময় মাছের দাম পাননি। তবে শীতে ইলিশের প্রাচুর্য থাকায় তাদের এই সংকট কেটে যাবে বলে জেলেরা মনে করছেন।

শুধু জেলেরা নয় খুশি ক্রেতারাও। মাছ বেশি ধরা পড়ায় কম দামে মিলছে বেশি মাছ। যদিও বাজারে বড় আকারের তুলনায় মাঝারি সাইজের ইলিশের সংখ্যা বেশি।  

এদিকে বছরের এই সময়ে ইলিশের দেখা মেলায় স্বস্তিতে ব্যবসায়ীরা। আর লাভের আশায় সাগরে পাড়ি জমাচ্ছেন জেলেরা। 


বরিশাল জেলার মৎস কর্মকর্তারা এ এস এম সালেহীন বলছেন, সরকারের কার্যক্রম সঠিক বাস্তবায়নের ফলেই মিলছে প্রচুর ইলিশ। 

তিনি জানান, বিভাগের মেঘনা, আড়িয়াল খাঁ, ইলিশা, তেঁতুলিয়া, বিষখালীসহ বড় নদীগুলোতে জেলেদের জালে প্রচুর ইলিশ পড়ছে। গত কয়েক বছরে এই পরিমাণ মাছ দেখা যায়নি।

প্রাকৃতিকভাবেই ৪-৫ বছর পরপর মাছের উৎপাদন বেশি হয়। তবে আগের মাছের ব্যবস্থাপনা কম থাকলেও, গত পাঁচ বছরে বিভিন্ন কর্মসুচির কারণে নদীতে সুষম অবস্থা তৈরি হয়েছে।


একাত্তর/ এনএ