বাগেরহাটের চিতলমারি উপজেলায় শীতকালীন আগাম জাতের টমেটো চাষ করে সফল হয়েছেন তরুণ চাষি বিশ্বজিত বড়াল।
তার সাফল্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে চিতলমারীর অশোক নগর গ্রামের অনেকেই এখন টমেটো চাষ করছেন। কৃষি বিভাগে বলছে, এই সাফল্য অনেক শিক্ষিত তরুণকে কৃষিমুখী করেছে।
বাগেরহাটের চিতলমারীর অশোক নগর গ্রামের মাঠে যত দূর চোখ যায়, টমেটোর সমারোহ। সারি সারি গাছে সুতোর মাচায় ঝুলছে লাল টকটকে টমেটো। দেখলেই খেতে ইচ্ছে করে।
১০ বছর আগে ১০ বিঘা জমিতে উচ্চ ফলনশীল হাইব্রিড জাতের টমেটো চাষ শুরু করেন তরুণ কৃষক বিশ্বজিত বড়াল। ফলন ভাল হওয়ায় প্রতিবছরই বেড়েছে জমির পরিমাণ। এখন ৪৫ বিঘা জমিতে ২০ হাজার টমেটো গাছ রয়েছে।
অশোক নগরের পাকা টমেটো এখন রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। এখন সপ্তাহে দুই দিনের হাটে প্রায় ১০০ মণ টমেটো বিক্রি হচ্ছে।
বিশ্বজিৎ বড়ালের সাফল্য উদ্যোগী করেছে অশোক নগর গ্রামের অনেক চাষিকে। টমেটো তুলে ভালোভাবেই সংসার চলছে মজুরদের। হাটের ইজারাদার জানান, প্রতি হাটে এক থেকে দেড় কোটি টাকার টমেটো বিক্রি হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা অসিম কুমার দাস জানান, বিশ্বজিতের সাফল্য উপজেলার তরুণদের কৃষিমুখি করেছে। চিতলমারী উপজেলায় প্রায় ২০ হাজার টমেটো চাষি রয়েছে।
একাত্তর/এআর