শিগগিরই বিশেষ কর্মসূচীর আওতায় টিকা দেয়ার দাবি জানিয়েছেন সুন্দরবন উপকূলের জেলে ও বাওয়ালীরা। তারাও চান করোনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ লড়াইয়ে সামিল হতে।
তারা জানান, বছরের বিভিন্ন সময় কাজের ব্যস্ততার কারণে অর্ধেকের বেশি জেলে ও বাওয়ালী এখনো টিকা নিতে পারেননি। ফলে বিশেষ কর্মসূচি ছাড়া তাদের টিকা নেয়া হবে না।
প্রতি বছর নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত দুবলারচরে চলে শুটকির কারবার। আর সে সময় সেখানে থাকেন ১০ হাজারেরও বেশি জেলে, মাঝি-মাল্লা ও মহাজন।
কিন্তু সাগরে এখন মাছধরার মরাগোন চলায় বেশিরভাগ জেলে আছে বাড়িতে। ফলে দুবলারচরে ১২ হাজার জেলেকে করোনার টিকা দেয়ার লক্ষ্য থাকলেও, দুই দিনে পাঁচ হাজার ২৪২ জনকে টিকা দিতে পেরেছে বাগেরহাট জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
এসব জেলেরা মাছ ধরতে যায় গভীর সাগরে। কিন্তু এখানে আশ্রয় কেন্দ্র, চিকিৎসা ব্যবস্থা ও আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্র না থাকায় তারা প্রায়ই বিপদে পড়েন। ঘটে প্রাণহানিও।
জেলেদের অভিযোগ, চরে পর্যাপ্ত আশ্রয় কেন্দ্র, ভাসমান হাসপাতাল ও আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্রের দাবি এখনো কাগজ কলমেই বন্দি আছে।
আর মৎস্যজীবীদের অভিযোগ, বনবিভাগ প্রতি বছর দুবলার চরের জেলেদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করলেও, জেলেদের সুরক্ষায় কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
এরই মধ্যে দুবলার চরে ভাসমান হাসপাতাল ও অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ সচিব লোকমান হোসেন মিয়া।