নাটোরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ তোতার একটি চোখ দৃষ্টিহীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
পরিবার জানিয়েছে টাকার অভাবে তার চিকিৎসা হচ্ছে না। এখন তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে উন্নত চিকিৎসা ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন।
নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন উপলক্ষে সেদিন সার্কিট হাউসে কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের অভ্যর্থনা জানাতে এসে সংঘর্ষে জড়ান সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুল এবং উপজেলা চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রমজানের অনুসারীরা।
এতে আহত হন দুই পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন। তাদেরই একজন তিন নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ সদস্য মোহাম্মদ তোতা। পাথরের আঘাতে গুরুতর জখম চোখ নিয়ে তিনি এখন রাজশাহী মেডিক্যালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
পরিবারে আয় করার একমাত্র মানুষের এমন ক্ষতিতে দিশেহারা তোতার পুরো পরিবার। তোতার স্ত্রী বলেন, স্বজনদের থেকে ধার করা ৭০ হাজার টাকায়তাঁর চিকিৎসা করা হয়েছে।
এখন তাঁর অবস্থার আরও অবনতিহচ্ছে। এখন আর চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছে না। যে দলের জন্য তিনি দৃষ্টিশক্তিহারাতে বসেছেন তারা এগিয়ে না এলে চিকিৎসা বন্ধ করে দিতে।
জখম ডান চোখে তোতা আর কখনও দেখতে পাবেন কিনা তা নিয়ে শঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা। তারা বলছেন তার আরো উন্নত চিকিৎসা দরকার।
আর তোতা জানান, তিনি নিজের জীবন থেকে শিক্ষা নিয়েছেন। সেদিনের পর তিনি মনে করেন,প্রত্যেক রাজনৈতিক কর্মীর উচিত সহিংসতা এড়িয়ে চলা।
গেলো ২০শে ফেব্রুয়ারি নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় নেতারা ১৯ ফেব্রুয়ারি নাটোর যান। এই সংঘর্ষ বাধে তাদের সামনেই।