কক্সবাজারের নানা প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা শত বছরের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের জাদিগুলো যখন অন্যের দখলে চলে গেছে, তখন শৈল্পিক নির্মাণশৈলীতে নাইক্ষ্যংছড়িতে নতুন করে জেগে উঠলো ধর্মীয় উপসানালয় ‘স্বপ্নজাদি’।
এই খুশিতে মিলন ঘটেছিল গৌতম বুদ্ধের অর্ধলাখ পূণ্যার্থীর। মেতেছিলেন ঢাকের তালে। পূজা অর্চনায় পূণ্য খুঁজেছেন গৌতম বুদ্ধের কাছে।
মিয়ানমার, চীন, থাইল্যান্ডের বৌদ্ধমন্দিরের আদলে নাইক্ষ্যংছড়ির বরইতলীতে তৈরি হয়েছে 'স্বপ্নজাদি'। যেখানে রয়েছে ৫০টিরও বেশি বৌদ্ধমূর্তি। এটি এখন এ দুর্গম অঞ্চলের অন্যতম তীর্থস্থান হয়ে উঠেছে।
এই স্বপ্নজাদি উদ্বোধনকে ঘিরে বসেছিলো দুই দিনের মেলা ও উৎসব। যেখানে জড়ো হন পঞ্চাশ হাজারেরো বেশি মানুষ। নাচ গান আর পূজা অর্চনায় মেতেছিলেন সবাই।
পূণ্যার্থীরা বলছে, এতোদিন দুরের জাদিতে গিয়ে পূজা দিতে হতো তাদের। এখন এই জাদিতেই ১০ গ্রামের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষ বুদ্ধকে স্মরণ করে পূজা দিতে পারবেন।
বৌদ্ধ গুরুদের বিশ্বাস, জাদিতে পূজা করলেই ধর্ম পূজা ও বুদ্ধ পূজা দুটোরই পূণ্য লাভ হয়।
বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষ বিশ্বাস করে গৌতম বুদ্ধের শরীর দাহের পর তা ধাতুতে পরিণত হয়। আর সেই ধাতু দিয়ে তৈরি হয় জাদি বা চৈত্য।
একাত্তর/এআর