নিখোঁজের সাতদিন পর মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে স্কুল শিক্ষিকা ওয়াফিয়া আক্তারকে উদ্ধার করেছে স্বজনরা। গত ৮ মার্চ প্রধান শিক্ষক কামরুল হাসান জানুর সাথে বিতর্কের জেরে তিনি ‘আত্মগোপনে’ যান।
মঙ্গলবার (১৫ মার্চ) তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় শিক্ষিকার অবস্থান নিশ্চিত হয় পুলিশ। পরে স্বজনরা তাকে ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইন এলাকার একটি ছাত্রী মেস থেকে উদ্ধার করেন।
এদিকে শিক্ষিকা নিখোঁজের ঘটনায় তার স্বামী একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
বর্তমানে ওয়াফিয়া আক্তার তার পরিবারের সাথে আছেন বলে নিশ্চিত করেছেন মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফেরদৌস আলম।
শিক্ষিকা ওয়াফিয়া আক্তার নেত্রকোণা জেলার মদন উপজেলা তিয়শ্রী ইউনিয়নের সাইতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক কামরুল হাসান জানু ওয়াফিয়া আক্তারকে ভৎসনা করলে তিনি নিখোঁজ হন।
শিক্ষিকার বড় ভাই মাওলানা সামিউল হক জানান, ওয়াফিয়াকে ঢাকার রাজারবাগ এলাকার একটি ছাত্রী মেস থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সে তার স্বামীর সঙ্গে আছে। দীর্ঘদিন যাবত তিনি হৃদরোগসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছে। ঢাকায় চিকিৎসা নিচ্ছেন।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল হাসেম জানান, শিক্ষিকা ওয়াফিয়া আত্মগোপনে ছিলেন। এ ব্যাপারে একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। প্রকৃত অপরাধীর বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: ট্রাক-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত এক
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফেরদৌস আলম জানান, শিক্ষিকার স্বামীর সাধারণ ডায়েরির প্রেক্ষিতে পুলিশ তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে ওয়াফিয়ার অবস্থান নিশ্চিত করে। এরপর তার পরিবারের লোকজন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একাত্তর/আরএ