রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে দুই সাঁওতাল কৃষক আত্মহত্যার বিষয়ে তদন্তে সেচব্যবস্থাপনায় অনিয়ম পেয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি।
রোববার কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব সায়েদুল ইসলামের কাছে প্রতিবেদন জমাদিয়েছেন তদন্ত কমিটির প্রধান আবু জুবাইর হোসেন বাবলু।
তবে, ময়না তদন্ত প্রতিবেদন হাতে না পাওয়ায় ওই দুই কৃষকের মৃত্যু কীভাবেহয়েছে সে বিষয়ে কোন মন্তব্য করেনি কমিটি।
সেচের পানি না পেয়ে দুই কৃষকের আত্মহত্যার খবর তোলপাড় তুলে সারাদেশে।বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গেলো ২৭ মার্চ চার সদস্যের কমিটি গঠন করে কৃষি মন্ত্রনালয়।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আবু জুবাইর হোসেন বাবলুর নেতৃত্বে কমিটিরসদস্যরা গেলো ২৯ মার্চ যান নিমঘুটু গ্রাম। কথা বলেন ভুক্তোভোগীর পরিবার, স্থানীয় প্রশাসনসহকৃষকদের সাথে।
আরও পড়ুন: স্কুলের বই থেকে শুরু করে টিফিনের টাকা লোপাট
তদন্ত শেষে রোববার জমা দেয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, সেচের পানি দিতেমেশিন চালকের স্বজনপ্রীতি, দুর্ব্যবহার এবং অতিরিক্ত টাকা আদায়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে।তবে দুই কৃষক কেন বিষপান করলেন সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।
এদিকে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসহ দরিদ্র কৃষকদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণেরবিষয়টি মানবাধিকার কমিশনের নজরে আনার কথা জানিয়েছেন আদিবাসী নেতা ফজলে হোসেন বাদশা।
গত ২৩ মার্চ গোদাগাড়ীর নিমঘুটু গ্রামের সাঁওতাল কৃষক অভিনাথ মারান্ডিও তার চাচাতো ভাই রবি মারান্ডি বিষপান করেন।
পরিবারের দাবি, নলকূপের অপারেটর ও ওয়ার্ড কৃষকলীগের সভাপতি সাখাওয়াততাদের জমিতে পানি না দিয়ে বিষ খেতে বলেছিলেন।