কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় একাত্তর টেলিভিশনের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রলীগ নেতাকে শনাক্ত করা গেছে।
সোমবার (১৩ জুন) রাত ৯টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন এটিএম বুথের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ভাঙচুরে নেতৃত্ব দেওয়া নেই ছাত্রনেতার নাম এ এম নুর উদ্দীন হোসাইন। তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের ছাত্র এবং বঙ্গবন্ধু হলের ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক।
এদিকে গণমাধ্যমের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে ওই ছাত্রনেতাকে বহিষ্কারে কেন্দ্রে সুপারিশ করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ। একই সঙ্গে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার রাতেই (সোমবার) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলামের বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্যাডে স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ, সোমবার (১৩ জুন) রাতে এ এম নুর উদ্দীন হোসাইনের (দপ্তর সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা) বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্তে সম্পৃক্ততার অভিযোগ আসায় স্বীয় পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের কাছে বহিষ্কারের সুপারিশ করা হলো।
একাত্তরের সিনিয়র রিপোর্টার তানিয়া রহমান বলেন, আমি ৯টার খবরে নির্বাচনী লাইভে থাকার সময় কিছু ছেলে একাত্তর টিভিকে স্লেজিং (উত্ত্যক্ত) করছিল। আমি তাদের কথায় কান না দিয়ে লাইভ শেষ করি। এর মধ্যেই গাড়ি ভাঙচুর করা হচ্ছে শুনে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে অফিসের গাড়িটি ভাঙা অবস্থায় দেখতে পাই।
আরও পড়ুন: গণমাধ্যমের গাড়ি দেখেই ভাংচুর করলেন ছাত্রলীগ নেতা
তিনি জানান, উপস্থিত সাংবাদিকদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি ঘটনা তদন্ত করে আগামীকাল দুপুর পর্যন্ত সময় নিয়েছেন।
এ বিষয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) কাজী ওমর সিদ্দিকী বলেন, তারা ঘটনাটি শুনেছেন। যেহেতু ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে হয়েছে, এজন্য মঙ্গলবার প্রক্টরিয়াল বডি বসে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।
একাত্তর/এসি