নীলফামারীতে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পে তৃতীয় পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে জমিসহ ঘর পেতে যাচ্ছেন আরও ৩৭৫টি পরিবার। ২১ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জেলার ছয়টি উপজেলার গৃহহীনদের মধ্যে জমির দলিলসহ ঘর হস্তান্তর করবেন। এদিন জেলার ডিমলা উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করা হবে।
২১ জুলাই ঘর পাওয়া ৩৭৫টি পরিবারের মধ্যে রয়েছে- সদর উপজেলায় ৫০টি, ডোমার উপজেলায় ৫০, ডিমলা উপজেলায় ২৫, জলঢাকা উপজেলায় ১০০, কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ৫০ এবং সৈয়দপুরে ১০০টি রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান নীলফামারীর জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসিন আরেফীন।
জেলা প্রশাসক জানান, নীলফামারী জেলায় ভূমিহীন এবং গৃহহীনের সংখ্যা সাত হাজার ৪২ পরিবার। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে বিভিন্ন ধাপে জেলায় পাঁচ হাজার ৯৭৯ টি ভূমিহীন এবং গৃহহীন পরিবারকে জমিসহ ঘর দিয়েছেন। অবশিষ্ট এক হাজার ৬৩ পরিবারের মধ্যে আগামী ২১ জুলাই আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে ৩৭৫ পরিবারকে জমিসহ ঘর দেওয়া হবে। এতে করে ৬৮৮টি ভূমিহীন এবং গৃহহীন পরিবার অবশিষ্ট থাকবে।
প্রকল্পের আওতায় ঘর পাওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা অবশিষ্ট ৬৮৮ পরিবারের মধ্যে সদর উপজেলায় ১২০টি, ডোমার উপজেলায় ১৪৮, জলঢাকা উপজেলায় ১৬১, কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ৩০ এবং সৈয়দপুর উপজেলায় ২২৯ পরিবার রয়েছে। এসব পরিবারকে আগামী ডিসেম্বর অথবা জুনের মধ্যে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর মাধ্যমে ঘর প্রদান করা হবে।
জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোজাম্মেল হক।
এদিকে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন জানান, ডিমলা উপজেলায় ৮৩৩ গৃহহীন পরিবারের আবেদন পাওয়া যায়। প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পে অধীনে ডিমলা উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ৭০৮ এবং সেনাবাহিনীর মাধ্যমে ১০০ পরিবারসহ মোট ৮০৮ পরিবারকে জমিসহ ঘর প্রদান করা হয়েছে। অবশিষ্ট রয়েছে ২৫টি পরিবার।
আরও পড়ুন: সেই শিশুর জন্য পাঁচ লাখ টাকা ও দেখভালে কমিটি গঠনের নির্দেশ
আগামী ২১ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি ওই ২৫ পরিবারের মাঝে জমির দলিলসহ ঘর প্রদানের মাধ্যমে উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন ঘোষণা করবেন।
তিনি বলেন, ডিমলা উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করা হলেও কোনো কারণে নতুন করে কেউ ভূমিহীন এবং গৃহহীন হলে ওই সব পরিবারকে একই ধরণের প্রকল্পের মাধ্যমে পুনর্বাসন করা হবে।
একাত্তর/এসি