লোডশেডিংয়ের কারণে সারাদেশে কৃষি ও শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে দিন দিন ভয়াবহ হচ্ছে এই পরিস্থিতি।
কৃষক এবং শিল্পোদ্যোক্তারা জানান, লোডশেডিং-এর সরকারি সূচির কথা বলা হলেও সেটা মানা হচ্ছে না। তারা জানান, বিদ্যুতের অভাবে আমন ও মাছ উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হবার শঙ্কা রয়েছে।
বিভাগীয় জেলায় মঙ্গলবার সকাল থেকে লোডশেডিং শুরু হয়েছে। এরপর থেকে যখন তখন বিদ্যুৎ যেতে শুরু করেছে। মানা হচ্ছে না কোন শিডিউল।
চুয়াডাঙ্গায় লোডশেডিংয়ের কারণে বন্ধ বিদ্যুৎ চালিত সেচযন্ত্রগুলো। যে কারণে চলতি বীজতলা ও আমন রোপণের জমি তৈরি করতে পারছে না কৃষক। ফলে পূরণ হবে না লক্ষ্যমাত্রা। যশোরে ঘনঘন লোডশেডিংয়ে ক্ষতির মুখে পড়েছে ম্যাছের হ্যাচারি মালিকরা। একদিকে বিদ্যুত বিভ্রাট অন্যদিকে সূর্যের খরতাপে মাছের পোনা উৎপাদনে ধস নেমেছে।
রংপুরে বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবেলায় এলাকাভিত্তিক লোডশেডিংয়ের সূচি প্রকাশ করলেও বাস্তবের সঙ্গে কোন মিল নেই। দিনে একবার লোডশেডিং হবার কথা থাকলেও বিদ্যুৎ চলে যায় ঘনঘন।
সূচির বাইরে একাধিক বার লোডশেডিং হচ্ছে শিল্পাঞ্চল নারায়ণগঞ্জেও। এতে বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরাও।
আরেক শিল্প শহর গাজীপুর জেলা ও মহানগরে চাহিদার তুলনায় প্রায় ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ ঘাটতি রয়েছে। যে কারণে সূচির বাইরেও দিনে দুই থেকে তিন বার লোডশেডিং হচ্ছে।
একাত্তর/এআর