সরকারি নির্দেশনা মেনে অবশেষে ৩৯ দিন পর ঘুরলো দূরপাল্লা বাসের চাকা। প্রথম দিনেই স্বাস্থ্যবিধি মানাতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের তৎপরতা দেখা গেছে।
দুই সিটে একজন যাত্রী, সবার মুখে মাস্ক ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করেই গন্তব্যের দিকে ছুটেছে রাজধানী থেকে ছেড়ে যাওয়া সবগুলো বাস।
রাজধানীর সবগুলো টার্মিনালেই স্বাস্থ্যবিধি তদারকিতে ছিলো ভ্রাম্যমাণ আদালত। বাসস্ট্যান্ডে কেউ মাস্কহীন থাকলেই তাদের জরিমানা করছে নির্বাহী হাকিম।
আর দীর্ঘ বিরতির পর বাস চলা শুরু হওয়ায় খুশি যাত্রী, চালক ও পরিবহন শ্রমিকরা। বিশেষ করে আবারো কাজ ফিরে পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন শ্রমিকরা।
যাত্রী ওঠানোর আগে সবগুলো বাসেই ছেটানো হয় জীবানুনাশক। বাসগুলো পরিস্কার করে আনা হয় নিজ নিজ কাউন্টারের সামনে।
সব যাত্রীর জন্য মাস্ক ব্যবহার ছিলো বাধ্যতামূলক। স্বাস্থ্যবিধি মানাতে বাসের প্রতি দুই সিটে নেয়া হয় একজন করে যাত্রী। ভাড়া নেয়া হচ্ছে বর্তমান ভাড়ার ৬০ শতাংশ বেশী।
তারপরেও দূরের যাত্রায় দুর্ভোগের অবসান হলো, এতেই খুশী যাত্রীরা। বলেছেন, এখন নিশ্চিত মনেই একটানে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন তারা। আর ফিরেও আসতে পারবেন।
গেলো ৩৯ দিন অনিশ্চিত ছিলো শ্রমিকদের জীবন যাপনও। বাস বন্ধ থাকায় আয় বন্ধ ছিলো হাজারো শ্রমিকের। তাই বাসের চাকা ঘোরায় সমানভাবে খুশি তারা।
আর, বাস মালিকরা বলছেন স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যপারে তারা কোন ছাড় দেবেন না। কেউ যদি নির্দেশনা অমান্য করে তবে তাদের বিরুদ্ধে নেয়া হবে ব্যবস্থা।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাস চলছে কিনা তা তদারকিতে মাঠে ছিলো বিআরটিএ’র ভ্রাম্যমান আদালত। নজরদারির পাশাপাশি বাসস্ট্যান্ডে কেউ মাস্কবিহীন চলাচল করলেই তাদের জরিমানা করছে নির্বাহী হাকিম। তাই যাত্রীদেরও সচেতনতা আশা করছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।