পরিবহন ধর্মঘটে ফরিদপুর অচল, সীমাহীন দুর্ভোগে মানুষ

পরিবহন ধর্মঘটে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে ফরিদপুরসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চল। এতে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ। কয়েকগুণ বেড়েছে যাতায়াত খরচ। 

এদিকে যে তিন চাকার বাহন বন্ধের জন্য বাস ধর্মঘট ডাকা হয়েছে, সেই তিন চাকার বাহনের চালকরা বলছেন, তারা বিধি মেনেই সড়কে চলাচল করতে চান। 

৩৬ ঘণ্টার বাস ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিনে অনেকটাই ফাঁকা ফরিদপুরের ঢাকা খুলনা মহাসড়ক। তিন চাকা বাহন মহিন্দ্রার চলাচল সীমিত থাকলেও পর্যাপ্ত উপস্থিতি দেখা যায় ইজিবাইকের।

বিএনপির গণসমাবেশের দিনেও ফরিদপুরে চলছে বাস ধর্মঘট। সমাবেশের আগে বাস ধর্মঘটে দ্বিতীয় দিনের মতো অচল ফরিদপুর। যান চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তি চরমে।

যাত্রীরা বলছেন, ধর্মঘটের কারণে কয়েকগুণ বেড়েছে যাতায়াত খরচ। ভোগান্তিরও শেষ নেই। এ ধর্মঘটের কবলে পড়ে বিপাকে পড়েছে রাজবাড়ী, মাগুরাসহ আশপাশের জেলার যাত্রীরাও।

মহাসড়কে সব ধরনের থ্রি-হুইলার, ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজিবাইক বন্ধের দাবিতে মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ডাকে ফরিদপুরে চলছে এই পরিবহন ধর্মঘট।

তবে বেশিরভাগ চালক, শ্রমিকরা জানান, তারা মালিকের সিদ্ধান্তে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন। তারা বলছেন, শুক্রবার থেকে বাস বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। 

পরিবহন ধর্মঘটে অন্যান্য জেলার সঙ্গে ফরিদপুরের বাস যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছ। শুক্রবার সকাল থেকে বাস ও মিনিবাস চলাচল বন্ধ হলে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়।

শনিবার সকাল থেকে রাজবাড়ী থেকেও কোন রুটে গণপরিবহন ছেড়ে যায়নি। বাস না পেয়ে ভেঙে ভেঙে অটোরিকশায় করে গন্তব্যে যেতে হয়েছে সাধারণ মানুষদের।

মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ এবং শরীয়তপুরেও যান চলাচল সীমিত থাকায় দুর্ভোগ আর ভোগান্তিতে পড়েছেন ফরিদপুরগামী যাত্রীরা।


একাত্তর/এআর