বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু কোনারপাড়া সীমান্তের শূন্যরেখার রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও আশপাশের এলাকায় মিয়ানমার অভ্যন্তরে আরসা-আরএসও’র মধ্যে গোলাগুলি ও এক আরসা সদস্য নিহতের ঘটনায় সীমান্ত এখনো থমথমে রয়েছে।
সীমান্ত এলাকার পথ জুড়ে বিজিবি ও এপিবিএন সদস্যদের চেক পোষ্ট বসানো হয়েছে।
তবে স্থানীয়রা বলছেন, শনিবার (২১ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কোন গোলাগুলির ঘটনা ঘটেনি।
মিয়ানমারের দুটি সশস্ত্র গ্রুপ আরসা ও আরএসও বুধবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুমের কোনারপাড়ার শূন্যরেখায় সংঘর্ষে জড়ায়। ওই সংঘর্ষে একজন নিহত এবং এক শিশুসহ দুইজন আহত হন। সংঘর্ষে নিহত এবং গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত এক ব্যক্তি ‘আরএসও’র পোশাক পরিহিত ছিলেন।
এরপর স্থানীয় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শতশত ঘর ভস্মীভূত হয়েছে। রোহিঙ্গাদের বড় অংশ মিয়ানমার অভ্যন্তরে চলে গেলে কিছুসংখ্যক পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় তুমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং আশপাশের এলাকার আশ্রয় নিয়েছেন।
আরও পড়ুন: মাটি খুঁড়ে সাত কেজি গাঁজা উদ্ধার, একজন গ্রেপ্তার
সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, হতাহতরা মিয়ানমারের সশস্ত্র সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) সদস্য। যেহেতু ঘটনার পর থেকে শূণ্যরেখায় ‘আরএসও’র পোশাক পরিহিত লোকজনের আনাগোনা দেখা গেছে- তাতে ধারণা করা হচ্ছে, ওই এলাকা এখন আরএসও বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
একাত্তর/জো