সিলেটে কলেজছাত্রী হত্যায় সন্দেহভাজক যুবক গ্রেপ্তার

সিলেটে কলেজছাত্রী সোনিয়া বেগম (২০) হত্যায় সন্দেহভাজক এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৯। 

গ্রেপ্তার যুবকের নাম মো. সজিব আহমদ (২৫)। তিনি হবিগঞ্জ জেলার আজমেরীগঞ্জ উপজেলার শরীফনগর গ্রামের বাসিন্দা এবং সম্পর্কে সোনিয়ার মামাতো ভাই।

মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান র‍্যাব-৯ এর অধিনায়ক উইং কমান্ডার মো. মোমিনুল হক। একই দিন এ হত্যার ঘটনায়  নিহতের ভাই বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। 

র‌্যাব জানায়, সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ৯র দিকে ঢাকার সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

এরআগে রোববার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিলেট নগরের শেখঘাট খুলিয়াটুলা আবাসিক এলাকার নীলিমা-১৪ নম্বর বাসা থেকে সোনিয়ার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। 

সোনিয়া সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার কলাছড়া গ্রামের বিল্লাল আহমদের মেয়ে ও দক্ষিণ সুরমার নুরজাহান মেমোরিয়াল মহিলা ডিগ্রি কলেজের ছাত্রী ছিলেন। তিনি মা ও সৎ বাবার সঙ্গে ওই বাসার চতুর্থ তলায় থাকতেন। সোনিয়া সিলেটের আঞ্চলিক ভাষার নাটকে অভিনয় করতেন।

পারিবার ও পুলিশ সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডের আগের রাতে সোনিয়াদের বাসায় রাত যাপন করেন সজিব। রোববার সকালে সোনিয়া পরিবারেরর সদস্যদের সঙ্গে নাস্তা করে বের হয়ে যান। 

দুপুর ১২টার দিকে সোনিয়ার ভাবি ডাকতে গিয়ে বিছানায় গলাকাটা লাশ দেখতে পান। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে এবং রুমের ভেতর থেকে কাপড় কাটার একটি রক্তমাখা কাঁচি জব্দ করে।

আরও পড়ুন: প্রাথমিকে শ্রুতিকটু নাম বদল, জেলা-বিভাগে শিক্ষক বদলি এ মাসেই

সোনিয়ার পরিবারের প্রথম থেকেই দাবি করে আসছিল এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সজিব জড়িত। তাই পুলিশের সন্দেহেও ছিলেন সজিবের ওপর। এদিকে ঘটনার পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছিলেন সজিব। 

র‍্যাব আরও জানায়, হত্যার কারণ সম্পর্কে এখনও জানা যায়নি। তাকে পুলিশে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

সজিবের নামে ঢাকার ভাষানটেক থানায় মামলা রয়েছে। মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে শিশু অপহরণ ও সহায়তার অভিযোগে এ মামলা দায়ের করা হয়েছিলো। এ মামলায় তিনি গ্রেপ্তারের পর জেলও খেটেছেন বলেও জানায় র‌্যাব।


একাত্তর/এসি