নওগাঁয় সড়ক দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বাড়লো

নওগাঁয় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার এক নারী যাত্রী ঘটনাস্থলে মৃত্যুর পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুইজন মারা গেছেন। এ নিয়ে ওই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো তিন। এঘটনায় আহত শিশুসহ আরও তিন জন বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। 

শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জেলার পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর-ধামইরহাট সড়কের আমবাটি মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহতরা হলেন, ঘটনাস্থলে মৃত শানজিদা খাতুন ও চিকিৎসাধীন অবস্থায় গৃহবধূ শরিফা খাতুন এবং অটোরিকশা চালক  মিজানুর রহমান। 

শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত এবং ভোরে তারা রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। 

নিহত শানজিদা খাতুন উপজেলার পাহাড়কাটা গ্রামের রাসেল রানার স্ত্রী এবং শরিফা একই গ্রামের আমজাদ হোসেনের স্ত্রী। আর মিজানুর রহমান একই উপজেলার আমিনাবাদ গ্রামের ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে।

আহতরা হলেন, একই উপজেলার পাহাড়কাটা গ্রামের শিশু সোহান হোসেন, একই গ্রামের শামীম রেজা এবং জেলার মহাদেবপুর উপজেলার নাটুয়াপাড়া গ্রামের আরিফুজ্জামান। 

প্রত্যক্ষদর্শী ও থানা পুলিশ জানিয়েছে, কয়েকজন নারী ও পুরুষসহ আরও যাত্রীরা অটোরিকশা যোগে শুক্রবার সন্ধ্যায় নজিপুর থেকে পাহাড়কাটায় যাচ্ছিলেন। অটোরিকশাটি আমবাটি মোড় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক ধামইরহাট থেকে ছেড়ে আসা নজিপুরগামী একটি বাস ধাক্কা দেয়।  এতে ঘটনাস্থলে শানজিদা নিহত হয়। আহত হয় শিশুসহ ছয় জন যাত্রী। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তবে শরিফা খাতুন, আরিফুজ্জামান এবং অটোরিকশা চালক মিজানুর রহমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের রাতেই রামেকে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে শনিবার মধ্যরাত ও ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শরিফা খাতুন এবং মিজানুর মারা যান।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে চার দশমিক ১০ মাত্রার ভূমিকম্প

পত্নীতলা থানার অফিসার ইনচার্জ পলাশ চন্দ্র দেব বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘাতক বাসটি জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে।  তবে এর চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছেন। আহত তিন জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। 


একাত্তর/এসি