বরিশাল সিটি নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখার প্রতীকের মেয়র প্রার্থী মেয়র প্রার্থী আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুপুরের দিকে এই হামলার শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।
নির্বাচনে অনিয়মসহ এই বিষয়ে পুলিশ কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি। বরিশাল নগরীর পুলিশ কমিশনার বলছেন, নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চলছে। জড়িতদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করা হবে।
সোমবার দুপুরে, বরিশালে সাবেরা খাতুন স্কুল কেন্দ্রের সামনে হামলার শিকার হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখার প্রতীকের মেয়র প্রার্থী ও দলের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম। এই ব্যাপারে লিখিত অভিযোগও করেছেন।
এর আগে, কেন্দ্রে ঢুকে অবৈধভাবে ভোট দেয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। মুফতি করীম বলেন, সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোট সুষ্ঠু থাকলেও কিছু কেন্দ্রে তার ভোটার ও পোলিং এজেন্টেদের বের করে দেয়া হয়েছে। কিছু কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের ঢুকতেও দেয়া হয়নি।
এছাড়া, জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস ভোটকেন্দ্র দখল হয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন। সাত নম্বর ওয়ার্ডের কাউনিয়া ব্রাঞ্চ হাফিজিয়া লিল্লাহ বোর্ডিং মাদ্রাসা কেন্দ্র নিয়ে এই অভিযোগ করেন তিনি।
এমনকি সহকারি প্রিজাইডিং অফিসারকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন প্রার্থীরা। তবে, এসব অভিযোগের প্রমাণ পায়নি নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা। ইসি বলছে, এ ধরনের অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে, বরিশালের হরিনাফুলিয়া ও হৈল খুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। হৈল খুলিয়া সরকারি প্রাথমকি বিদ্যালয়ে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় দু’জন আহত হয়েছে।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছাত্রদলের মিছিলে হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ
ঘুড়ি প্রতীকের প্রার্থী ফরিদ উদ্দিনের অভিযোগ, ১০৫ নম্বর কেন্দ্র হরিনা ফুলিয়াতে কাউন্সিলর হুমায়ুন কবিরের এজেন্টরা ইভিএমে বয়স্ক ভোটারদের ভোট দেখিয়ে দেবার নাম করে ট্রাক্টরের পক্ষে ভোট দিচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
একাত্তর/এসি