গাজীপুর, বরিশাল ও খুলনা সিটি নির্বাচনে ভোটের হার ৫০ শতাংশের নিচে থাকলেও, রাজশাহীতে সেই সংখ্যা ৭০ পার করার টার্গেট নিয়েছে আওয়ামী লীগ।
সেই লক্ষ্যে সিটি কর্পোরেশনের ৩০টি ওয়ার্ডে দিন-রাত নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন দলটির প্রার্থী ও নেতাকর্মীরা। খোদ প্রার্থীরাই জানান, বড় দলগুলো নির্বাচনে অংশ না নিলে ভোটার উপস্থিতি কমে যায়।
আগামী ২১ জুন রাজশাহী সিটি নির্বাচন। এরই মধ্যে ওয়ার্ডেই সারাদিন গানে-গানে মাইকিং শুরু হয়েছে প্রার্থীদের পক্ষে। চলছে মিছিল ও গণসংযোগ।
কাউন্সিলররা জানান, ২০০৮, ২০১৩ এবং ২০১৮ এর সিটি নির্বাচনের সবগুলোতেই ৭০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে ব্যালটে। তবে এবার বিএনপি এই নির্বাচনে নেই। ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থীও ভোট বয়কট করেছেন। এতে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
এদিকে, কাউন্সিলর পদে ভোটে অংশ নেয়ায় বিএনপি ১৬ নেতাকে দল থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে। ভোট দিতে গেলেও নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান বিএনপি নেতারা।
এ অবস্থায় মাঠে থাকা মেয়র প্রার্থীরা বলছেন, নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের অনুরোধ করছেন, তারা যেন নিজের ভোটটি দেন।
আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো ৭০ শতাংশের ওপর ভোট। তা হলে সব মিলিয়ে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলতে পারবো যে শত ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল ছিন্ন করে নৌকা জয়যুক্ত হয়েছে।
অন্যদিকে, কিছুটা বিচ্যুতি ঘটলেও জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী সাইফুল ইসলাম স্বপন ভোটের পরিবেশ যেন নষ্ট না করতে সবার কাছে অনুরোধ জানান।
রাজশাহী সিটি নির্বাচনে চারজন মেয়র প্রার্থী লড়ছেন। এদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী মুরশিদ আলম বরিশাল সিটি নির্বাচনের ভোটের পর নির্বাচন বয়কট করেছেন। তবে তার প্রতীক থাকছে। এছাড়া ১১১ জন কাউন্সিলর ও ৪৬ জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ৩০টি ওয়ার্ডে ৩ লাখ ৫১ হাজার ৯৪৫ জন ভোটার রয়েছেন। এদের মধ্যে নতুন ভোটার ৩০ হাজার জন। ১৫৫টি কেন্দ্রে ইভিএমে আগামী ২১ জুন ভোট গ্রহণ হবে।
একাত্তর/এসজে