২০০৬ সালের এক মামলায় কুমিল্লা সদরের চম্পকনগর সাতরার রানা হত্যা মামলায় সাত আসামীকে ফাসিঁ ও পাঁচজনের যাবজ্জীবন সহ ৩০ হাজার টাকা করে অর্থদন্ডের রায় দিয়েছে আদালত। এ মামলায় ১৬ জন আসামীর ভেতর চারজন বেকসুর খালাস পান।
রোববার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন। এসময় নয় আসামি এজলাসে উপস্থিত ছিলেন। তবে দন্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামী এখনো পলাতক রয়েছেন।
ফাসিঁর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন: জুয়েল, শুভ, কাজল, শিপন, মোর্শেদ, আলাউদ্দিন ও রিপন আর যাবজ্জীবন প্রাপ্ত পাঁচজন হলেন: বাদল, ইকবাল, জহিরুল ইসলাম, আনোয়ার ও সোহেল।
ফাসিঁর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীদের ভেতর ৫ জনই পলাতক।
কুমিল্লার আদালতের এপিপি রফিকুল ইসলাম জানান, ২০০৬ সালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হত্যা করা হয় চম্পকনগর এলাকার স্যানিটারি মিস্ত্রি রানাকে। এই ঘটনায় রানার বাবা জাহাঙ্গির খান ছয়জনকে আসামি করে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তী তদন্তে আরো দশ জনকে আসামি করে মোট ১৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রদান করে তদন্ত কর্মকর্তা। দীর্ঘ ১৮ বছর মামলার চলমান তদন্তে আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য আমলে নিয়ে এ রায় দেন বিচারক।
রায় শেষে মামলার বাদী, নিহত রানার বাবা জাহাঙ্গীর খান দীর্ঘ ১৮ বছর পর ছেলে হত্যার বিচারের রায় পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
তবে আসামি বিপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, এই রায়ের বিপক্ষে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন তারা।
একাত্তর/এআর