রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচনে ভোট গ্রহণ চলছে। নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা বা গোলযোগের কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন মহানগর পুলিশ কমিশনার আনিসুর রহমান।
বুধবার সকালে রাজশাহী স্যাটেলাইট টাউন হাইস্কুল কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে পুলিশ কমিশনার সাংবাদিকদের এ কথা জানান। এ সময় রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার বিজয় বসাক ও শামসুন নাহার সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ কমিশনার বলেন, শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ চলছে এবং সারাদিন চলবে। এখানে বিশৃঙ্খলা বা গোলযোগ হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই।
নির্বাচনে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সিটি নির্বাচন উপলক্ষে আমাদের পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ ফোর্স মোতায়েন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের দিন কোনো বিশৃঙ্খলা হবে না। নির্বাচন পরবর্তীতেও যেন কোনো বিশৃঙ্খলা না ঘটতে পারে সেজন্য পুলিশের স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করবে।
বুধবার সকাল ৮টা থেকে টানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ ভোট গ্রহণ চলবে। ভোটের সার্বিক পরিস্থিত সিসি ক্যামেরায় পর্যবেক্ষণ করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এর আগে মহানগর প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সাত স্তরের নিরাপত্তাসহ সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
রাশিকে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করছেন ২৫০ জন র্যাব ও বিজিবির ১০ প্লাটুন সদস্য। এছাড়াও রয়েছেন তিন হাজার ৫১৪ জন পুলিশ, এক হাজার ৯৩৫ আনসার সদস্য। থাকবেন ৩০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ১০জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।
রাজশাহী সিটিতে ১৫৫টি ভোটকেন্দ্রের এক হাজার ১৫৩টি ভোটকক্ষে ৩ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে এক লাখ ৭১ হাজার ১৬৭ জন পুরুষ ভোটার। নারী ভোটার এক লাখ ৮০ হাজার ৮০৯ জন এবং ছয়জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন। রাজশাহীর সব কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ, থাকছে সিসি ক্যামেরা।
আরও পড়ুন: ভোটে না এসে বিএনপি ভুল করেছে: লিটন
রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচনে এবার মেয়র পদে প্রার্থী চার জন। তারা হলেন- আওয়ামী লীগ প্রার্থী সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন (নৌকা), জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাইফুল ইসলাম স্বপন (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুরশিদ আলম (হাতপাখা) ও জাকের পার্টির প্রার্থী লতিফ আনোয়ার (গোলাপ ফুল)। বরিশাল সিটি নির্বাচনের পর ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী নির্বাচন বয়কট করেছেন।
একাত্তর/আরবিএস