পঞ্চমবারের মতো সিলেট সিটি করপোরেশনের ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচনে মেয়র পদে জয়ে ব্যাপারে অত্যন্ত আশাবাদী আওয়ামী লীগের প্রার্থী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, নৌকার পক্ষে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত হেরে গেলে ভোটের ফল মেনে নেবো। জয়ী প্রার্থীকে ফুল দিয়ে বরণ করবো।
বুধবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে নগরীর পাঠানটুলায় শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে ভোট দেন তিনি।
ভোট দিয়ে আনোয়ারুজ্জামান বলেন, সুন্দর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। ইভিএম খুব সুন্দর ও সহজ একটি পদ্ধতি। জয়ের ব্যাপারে আমি আশাবাদী। বিপুল ভোটের ব্যবধানে সিলেটবাসী অবশ্যই নৌকার জয় নিশ্চিত করবেন।
সিলেট সিটিতে তিন হাজার ২০৪টি এবং রাজশাহীতে দুই হাজার ৫০০টি ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ চলছে। এক হাজার ৭৪৭টি সিসি ক্যামেরা দিয়ে সিলেট সিটি এবং এক হাজার ৪৬৩টি সিসি ক্যামেরা দিয়ে রাজশাহী সিটি নির্বাচন ভবন পর্যবেক্ষণ করছে কমিশন।
সিলেট সিটিতে ১৯০টি ভোটকেন্দ্রের এক হাজার ৩৬৭টি ভোটকক্ষে চার লাখ ৪৭ হাজার ৭৫৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার দুই লাখ ৫৪ হাজার ২৩৬ জন, নারী দুই লাখ ৩৩ হাজার ৩৮৭ জন এবং ছয়জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার।
আরও পড়ুন: ভোটে না এসে বিএনপি ভুল করেছে: লিটন
সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে এবার মেয়র পদে প্রার্থী আট জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী (নৌকা), জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাহমুদুল হাসান (হাতপাখা), জাকের পার্টির প্রার্থী মো. জরিহুল আলম (গোলাপ ফুল)। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আব্দুল হানিফ, মো. ছালাহ উদ্দিন রিমন, মো. শাহ জাহান মিয়া এবং মোশতাক আহমেদ রউফ মোস্তফা।
সিলেটে ৪২টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী ২৯৪ জন। ১২টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ৮৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
একাত্তর/এসি