ঈদের ছুটিতে জমেনি বান্দরবানের বিনোদন কেন্দ্রগুলো। এখানে পর্যটকদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে চলা অশান্তির কারণে পাহাড় থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন পর্যটকরা। আর অতিথি বরণ করতে সেজেগুজে থাকা পাহাড়ের হোটেল-মোটেলগুলোর অধিকাংশ এখনও ফাঁকা পড়ে আছে। তবে কিছু স্থানীয়দের আনাগোনা রয়েছে।
বান্দরবানের পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যটকদের ভ্রমণ স্বাচ্ছন্দ্য করতে নানা রকম ছাড়ের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে জেলার তিনটি উপজেলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকায় ঈদুল আজহার এই বন্ধে বান্দরবানে পর্যটকদের অগ্রীম বুকিং নেই বেশিরভাগ হোটেল-মোটেল ও ট্যুরিস্ট পরিবহণে। এতে হতাশ জেলার পর্যটন ব্যবসায়ীরা।
প্রতিবছর ঈদে এলে পর্যটকে মুখর হয়ে ওঠে বান্দরবান। টানা ছুটি পেয়ে ঈদের আগেও পরে বান্দরবানে ভ্রমণ করেন হাজার হাজার পর্যটক। ভ্রমণ পিপাসুদের পদচারণায় সারাবছরই মুখর থাকে পার্বত্যজেলা বান্দরবান।
আরও পড়ুন: বৃষ্টি ও বৈরি আবহাওয়ায় রাঙ্গামাটিতে পর্যটক খরা
বিশেষ করে ঈদ, দুর্গোৎসব, বড়দিন আর যেকোনো সরকারি ছুটির বন্ধে বান্দরবানে ভিড় করেন অসংখ্য পর্যটক। বন্ধের কয়েকদিন আগে থেকে জেলার হোটেল-মোটেল,গেস্ট হাউস আর চাঁদের গাড়িগুলো বুকিং হয়ে যা। কিন্তু এবারে জেলার তিনটি উপজেলায় (রুমা, রোয়াংছড়ি, থানচি) পর্যটকদের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার বলবৎ থাকায় সব ফাঁকা পড়ে আছে।
একাত্তর/এসি