বৈরী আবহাওয়ার কারণে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের চামড়ার হাটে ধস নেমেছে। এই হাটে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্রেতা-বিক্রেতা আসেনি। মৌসুমি ব্যবসায়ীরা যে দামে মফস্বল থেকে চামড়া কিনেছেন, তার অর্ধেক দামেও বিক্রি করতে না পেরে অসহায় হয়ে পড়েছেন।
১৯৭৮ সালে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পাকুটিয়ায় প্রতিষ্ঠা হয় চামড়ার হাট। প্রতি রবি ও বুধবার এই হাটে চামড়া কেনাবেচা করতে আসেন ঢাকা, ময়মনসিংহ, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোরসহ বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা।
বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে কোরবানির ঈদের পর জমজমাট হয়ে উঠে পাকুটিয়ার চামড়ার হাট। কিন্তু এবার এই হাটে নিয়মিত চামড়া ব্যবসায়ীরা আসেননি। ফলে চামড়া এনে বিপাকে পড়েছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, চামড়া কিনে নিয়ে এখন বিক্রি করতে পারছেন না তারা। লবণের দাম যেমন বেশি, শ্রমিকের খরচও অনেক। তাই তাদের ক্ষতির পরিমাণও বেশি।
চামড়া ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি কম হওয়ায় লোকসানের আশঙ্কা করছেন হাটের ইজারাদার।
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের পাকুটিয়া হাট ইজারাদারের পরিচালক রহিম বিশ্বাস বলেন, বৃষ্টির কারণে হাটে মাল নেই। যার ফলে হাট-মালিক কর্তৃপক্ষও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
আরও পড়ুন: সবচেয়ে বেশি কোরবানি হয়েছে ঢাকায়, কম ময়মনসিংহে
সরকারের সুষ্ঠু নজরদারি না হলে ঐতিহ্যবাহী এই চামড়ার হাটটি দ্রুতই বিলুপ্ত হয়ে যাবে বলে মনে করে হাট সংশ্লিষ্টরা।
একাত্তর/আরএ