তিস্তার ভাঙনে নদীতে বিলীন হয়েছে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার এক হাজার বিঘা আবাদি জমি। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শতাধিক পরিবার।
ভুক্তভোগীরা জানান, ভাঙন ঠেকাতে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা না নেয়ায় প্রতিবছর তিস্তায় বিলীন হচ্ছে একরের পর একর জমি।
তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পাওয়া মাত্রই নেয়া হবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খাড়াপাড়া গ্রামের পঞ্চাশোর্ধ্ব আব্বাস আলী। এক সপ্তাহ ধরে চলা ভাঙনে চলে গেছে তার আট বিঘা ফসলী জমি। একমাত্র আয়ের উৎস হারিয়ে এখন সে নির্বাক।
আব্বাস আলীর মতোই এখানে আবাদি জমি হারিয়েছেন প্রায় শতাধিক পরিবার। এখন তারা কিভাবে চলবেন কেউই জানেন না।
উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তায় পানি বাড়লেও পরে কমার সাথে সাথে বাড়ছে ভাঙন। এতে বসতভিটা হারানোর ভয়ে আছেন ৫০০ পরিবার।
ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, ভাঙন রোধে কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের ব্যবস্থা না নেয়ায় প্রতিবছর তিস্তা নদী গিলে খাচ্ছে একরের পর একর জমি।
এই অবস্থায় দ্রুত পাইলিং এর মাধ্যমে ভাঙ্গন রোধ করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে দাবি জানান ডিমলার পূর্বছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল লতিফ খান।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসফাউদদৌলা জানান, ভাঙ্গন রোধে দ্রুতই কাজ শুরু করা হবে। ক্ষতিগ্রস্তদের দেয়া হবে সহযোগিতা।
আরও পড়ুন: পাওনাদারদের চাপে বাবার মরদেহ ফেলে পালালো সন্তানরা
গত ২১ জুন থেকে উজানের ঢলে বৃদ্ধি পায় তিস্তা নদীর পানি। এরপর চার দফায় পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে। এরপর পানি কমার সাথে সাথে শুরু হয়েছে নদী ভাঙ্গন।
একাত্তর/জো