ছাত্রীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়

কক্সবাজারের চকরিয়ায় কলেজ ছাত্রীকে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়া জড়িত স্থানীয় মেম্বারসহ বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে। এদিকে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন ভুক্তভোগীর স্বজনরা।

চকরিয়ার ডুলাহাজারায় দিনে দুপুরে এক কলেজছাত্রীকে দল বেঁধে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে ১০ জুলাই। মেয়েটি কলেজ থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। 

এরপর মোবাইলে ধারণ করে সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয় অভিযুক্তরা।

ভিডিওতে দেখা যায় ডুলাহাজারার চার নাম্বার ওয়ার্ডের উলুবনিয়ার বাসিন্দা শাহরিয়ার মোহাম্মদ হৃদয় ও তার সহযোগীরা ওই কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালাচ্ছে।

পাশাপাশি ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেয়ার হুমকিও দিতে শোনা যায় সেই ভিডিওতে।

এ ঘটনায় ডুলাহাজারার উলুঘুনিয়ার শাহরিয়ার হৃদয়, রিয়াজ এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য রমজান আলিকে আসামি করে চকরিয়া থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগীর বাবা।

ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, অভিযুক্তদের সিন্ডিকেট এই ঘটনা ঘটনোর পর আমার মেয়েকে হুমকি দিয়ে আমার কাছে ঘটনা না জানাতে বলেছে।

অভিযুক্ত শাহরিয়ারকে বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এবিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, জড়িত কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা ঘটনায় জড়িত একজনকে গ্রেপ্তার করেছি। বাকিদেরও দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

আরও পড়ুন: রাজবাড়ীতে বাসের ধাক্কায় রিকশাচালক নিহত

এদিকে ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জানান, এই ঘটনার প্রতিবাদ করায় তাকেও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে অভিযুক্তরা।

ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম আদর বলেন, অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী পরিবারকেও মারধর এবং হত্যার হুমকি দিচ্ছে।

একাত্তর/আরএ