ডেঙ্গু চিকিৎসায় বিশেষ ব্যবস্থা এবং এডিস ধ্বংসের অভিযান চালানোর পরেও সারাদেশের ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে না। প্রতিটি হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের অভিযোগ, লোকবলের অভাবে চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে।
কুমিল্লায় ডেঙ্গু রোগীর চাপ বাড়ায় বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে চিকিৎসা পদ্ধতিতে। এরইমধ্যে কুমিল্লা মেডিকেলের প্রশাসনিক ভবনের সাত তলা ও আট তলায় খোলা হয়েছে ডেঙ্গুর দুটি ওয়ার্ড।
রাজবাড়ীতে গত ২৪ ঘণ্টায় পাঁচ উপজেলায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ জনে। ডেঙ্গু রোগীদের স্যালাইন, ডাবের পানি ও তরল জাতীয় খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।
গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের ৬ জেলার মধ্যে বরিশাল জেলায় ডেঙ্গু শনাক্তের রোগী সর্বোচ্চ ৫২ জন। চিকিৎসকরা বলছেন, ডেঙ্গুরোধে সময়মত ব্যবস্থা না নেয়ায় এই দুর্গতি।
বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেলের পরিচালক ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, কোন রোগীর যদি রক্ত বা প্লাটিলেট দরকার হয় আমরা ব্যবস্থা করি। কোন কোন ক্ষেত্রে রোগীকে ঢাকা পাঠাতে হয়।
পটুয়াখালীতে বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর ভর্তি সংখ্যা ১৭৪। রোগীর স্বজনদের অভিযোগ লোকবল সংকটে ঠিকঠাক সেবা পাচ্ছে না রোগীরা।
মানিকগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪২ জনসহ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১২৪ জন। পরিস্থিতি মোকাবেলায় সবাইকে সচেতন হতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মোয়াজ্জেম আলী চৌধুরী বলেন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার যে ক্যাপাসিটি তা যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না চলে যায়- সেজন্য আমাদের সকলের সচেতন থাকা উচিত।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গু দমনে এবার ব্যাকটেরিয়া আনছে উত্তর সিটি
নরসিংদীতে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালানো হচ্ছে। তার পরেও প্রতিদিন বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।
একাত্তর/আরএ