সড়ক সংলগ্ন নয়নজলিতে ফুটে আছে সারি সারি লাল শাপলা। যেন সবুজ পাতার ফাঁকে লাল চাদরে আবৃত করে রেখেছে নয়নজলিকে। পথের ধারে এমন শাপলা ফুল দেখে থমকে দাঁড়ান পথচারীরা। এ লাল শাপলার সমাহার পথচারীদের মুগ্ধ করছে প্রতিনিয়ত। দিনাজপুরের বিরামপুর-নবাবগঞ্জ সড়কের নবাবগঞ্জ উপজেলার ছোট মহেশপুর গ্রামের সামনে গেলেই চোখে পড়ে এমন দৃশ্য।
ঐ গ্রামের যুবক গোলাম রব্বানী জানান, গ্রামের সামনে রাস্তার নয়নজলিতে বিশ্রাম নেয়ার জন্য তিন বছর পূর্বে গ্রামের যুবকেরা যৌথ উদ্যোগে নয়নজলির পানির উপরে বসার জন্য বাঁশ দিয়ে বসার স্থান নির্মান করেন। পরে বসার স্থানটির সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য নয়নজলির পানিতে শাপলা ফুলের চারা রোপন করেন। পাশাপাশি চলে পরিচর্যা। আর সেই থেকেই দিন দিন ফুলের পরিধি বৃদ্ধি পেতে থাকে। চলতি বর্ষা মৌসুমে ফুটেছে হাজারো লাল শাপলা ফুল।
পথচারীরা জানান, পথের ধারে এমন শাপলা ফুলের সমাহার সচরাচর দেখা যায় না। এখানে দাঁড়িয়ে কিছুটা বিশ্রাম নিলে শাপলাফুলের সৌন্দর্যে মনে এনে দেয় প্রশান্তি। তারা বলেন, এটি যুব সমাজের একটি ব্যতিক্রমী অসাধারণ উদ্যোগ।
আরও পড়ুন: দিনাজপুরে লকডাউনের প্রথম দিনে ৪ জনের মৃত্যু
বছরজুড়ে এই নয়নজলিতে লাল শাপলা ফুল ফোটে। বর্ষাকালে বৃষ্টির পানিতে নয়নজলি পানি ভর্তি থাকে। আর শুষ্ক মৌসুমে ইরি-বোরো সেচের পানি দিয়ে এই নয়নজলি ভর্তি হয়ে যায়। এতে করে সারা বছরই এই নয়নজলিতে পানি থাকে। তাই সারা বছর এখানে লাল শাপলা দেখা যায়।
একাত্তর/আরবিএস