মোংলা বন্দরের পশুর নদীতে সাড়ে ৮০০ মেট্রিক টন ক্লিংকার (সিমেন্টের কাঁচামাল) নিয়ে 'আনমনা-২' নামে একটি লাইটার জাহাজ ডুবে গেছে।
রোববার রাত সাড়ে ৮টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এসময় জাহাজটিতে থাকা ১০ নাবিক সাঁতরে নদীর কূলে উঠে প্রাণে বেঁচে যান।
বাংলাদেশ লাইটারেজ জাহাজ শ্রমিক ইউনিয়নের সহসভাপতি মাঈনুল ইসলাম মিন্টু জানান, বন্দরের চার নম্বর বয়ায় অবস্থান করা বাংলাদেশি পতাকাবাহী মার্চেন্ট শিপ 'এমভি জাহান ব্রাদার্স' থেকে সাড়ে ৮০০ মেট্রিক টন ক্লিংকার বোঝাই করে রোববার বিকালে পশুর নদীর কাইনমারী এলাকায় নোঙর করে 'আনমনা-২'।
তিনি বলেন, পরে এ ক্লিংকার নিয়ে খুলনার রুপসা নদীর পাড়ে শুনসিং কোম্পানির 'সেভেন রিংকস' সিমেন্ট ফ্যাক্টরিতে রওনা হওয়ার সময় রাত সাড়ে ৮টায় টার্নিং করতে গেলে স্রোতের টানে জাহাজটির নোঙর ছুটে গেলে চালক কাইনমারী খাল সংলগ্ন এলাকার চড়ে তুলে দেন। এসময় জাহাজটি একপাশে ঝুঁকে পড়ে এবং ধীরে ধীরে ডুবে যায়। তবে জাহাজে থাকা ১০ নাবিক সাঁতরে নদীর কূলে উঠে প্রাণ বাঁচান।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার বিভাগ জানায়, গত ১৩ অক্টোবর ২৬ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন ক্লিংকার নিয়ে বন্দরের চার নম্বর বয়ায় নোঙর করে মার্চেন্ট শিপ জাহান ব্রাদার্স। রোববার ওই জাহাজ থেকে এমভি আনমনা-২ নামে একটি কার্গো জাহাজ সাড়ে ৮০০ মেট্রিক টন ক্লিংকার বোঝাই করে। রাতে দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে বন্দরের মুরিং বোট এমভি হিরা নামে একটি জলযান রওনা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পরে বন্দরে চ্যানেল নিরাপদ রয়েছে বলেও জানায় হারবার বিভাগ।