ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে নৌকার প্রার্থী নিলুফার আনজুম পপির নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা। নৌকার অফিস ভাঙচুর করার পাশাপাশি দুই সমর্থককে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে।
এরপর হামলা চালানো হয় নির্বাচনী ক্যাম্পের পাশের বাড়িঘরে। সেখান থেকে লুটে নেওয়া হয়েছে নগদ টাকা ও সোনার গহনা।
এ ঘটনায় ট্রাক প্রতীকের সোমনাথ সাহার পক্ষের ৩০ নেতাকর্মীর নামে গৌরীপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়নের শাহগঞ্জ বাজারে রোববার রাতে হামলার এ ঘটনা ঘটে। নৌকার প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট নিলুফার আনজুম পপি অভিযোগ করেছেন, সোমনাথ সাথার লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
হামলার ঘটনায় সোমবার নৌকার সমর্থক মো. আব্দুল জাহের বাদী হয়ে ট্রাক প্রতীকের ৩০ জনকে অভিযুক্ত করে গৌরীপুর থানায় মামলা করেছেন। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন- রামগোপালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন জনি, সোমনাথ সাহার ছোট ভাই সুশান্ত সাহা প্রেমনাথ, ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ সদস্য গোলাম সামদানী খান সুমন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি নাজিমুল ইসলাম শুভ প্রমুখ।
অভিযোগে বলা হয়েছে, রোববার রাতে নৌকার প্রচার কেন্দ্রে যান সাদ্দাম হোসেন ও জুলহাস মিয়া। এ সময় আসামিরা তাদের উপর হামলা করে। হামলাকারীরা কার্যালয়ের আসবাবপত্র ও চেয়ার টেবিল ভাঙচুর করে। তাদের হামলার আহত হন দুইজন।
এছাড়া কার্যালয়ের পাশে তাদের বসতবাড়িতে প্রবেশ করে ১১ লাখ নগদ টাকা ও সোনার গহনা ছিনিয়ে নেয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
হামলা ও লুটতরাজের মামলার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন চন্দ্র রায়।
এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত রামগোপালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল আমিন জনি হামলা ও লুটপাটের ঘটনা অস্বীকার করেছেন।