কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে রংপুর সীমান্তে বসছে গরুর হাট। আর এসব হাটে বাড়ছে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি। এ নিয়ে জনমনে শঙ্কাও রয়েছে।
নিয়ম অনুযায়ী পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি। মাস্ক ছাড়াই ঘুরে বেড়াচ্ছেন বহু মানুষ। আর সামাজিত দূরত্বের বিষয়টি এখনো অজানা অনেকের।
এদিকে, ব্যবসায়ীদের অভিযোগ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে ভারতীয় গরু হাটে নিয়ে আসছে এক শ্রেণির ব্যবসায়ী।
রোববার (১০ জুলাই) দুপুরে রংপুর গঙ্গাচড়া বেতগাড়ী হাট। এটি এলাকার নিয়মিত গরুর হাট। সেখানে গিয়ে দেখা গেলো হাটে প্রচুর মানুষ।
তাদের বেশিরভাগই মাস্কবিহীন। যারা মাস্ক ব্যবহার করছেন, তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পড়ছেন না। ইজারাদারের পক্ষ থেকেও নেই কোনো সুরক্ষা ব্যবস্থা, প্রবেশ পথে রাখা হয়নি হাত ধোয়ার জন্য পানি ও সাবান। নেই শরীরের তাপমাত্রা মাপার যন্ত্রও।
ব্যবসায়ীরা জানান, সীমান্ত এলাকা হওয়ায় এখানকার হাটে প্রচুর ভারতীয় গরু আনা হয়। এর বেশিরভাগই আসে চোরাই পথে। এখানে ভারতীয় চোরাকারবারীও গরু নিয়ে ঢুকে পড়ে সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে। এটাই এখন সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করেন তারা।
আরও পড়ুন: করোনা রোগী সামলাতে নানা সংকটে সাতক্ষীরা হাসপাতাল
যদিও ইজারাদাররা এই অভিযোগ স্বীকার করেননি। তারা বলছেন স্বাস্থ্যবিধি মানা এবং চোরাচালানের ব্যাপারে তারা যথেষ্ট সতর্ক।
এদিকে রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার জাকির হোসেন বলছেন, সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি উপক্ষিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রংপুর বিভগে প্রায় সাড়ে তিনশো হাট-বাজার রয়েছে কোরবানির সময় পশু বিক্রি হয় এমন মৌসুমী হাট রয়েছে দেড়'শ এর বেশি। এছাড়া নিয়মিত হাট রয়েছে চারশ'র মত। তবে, করোনার কারণে এসব হাটের অর্ধেক বন্ধ রয়েছে।
একাত্তর/আরবিএস