ময়মনসিংহ সিটি নির্বাচনে ভোটের জটিলতা এড়াতে দেড়গুণ ইভিএম মেশিন রাখা হচ্ছে, যাতে কোন মেশিন নষ্ট হলে দ্রুত ভোট নেয়া যায়।
১২৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪৩টি বেশী ঝুকিপূর্ণ কেন্দ্রের নিরাপত্তায় থাকবে পুলিশ, এপিবিএন ও আনসারের ৩৩টি মোবাইল টিম, ১১টি স্ট্রাইকিং ফোর্স ও একটি রিজার্ভ টিম। এছাড়া ৫৫টি কম ঝুকিপূর্ণ কেন্দ্রে থাকবে র্যাবের ১৭টি টিম ও বিজিবির ৭ প্লাটুন।
বিএনপিবিহীন এবং দলীয় প্রতীক ছাড়া ময়মনসিং সিটি নির্বাচনে মূল লড়াই হবে আওয়ামী লীগ বনাম আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর মধ্যে। তৃতীয় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে লড়াইয়ে আছেন জাতীয় পার্টির একজন প্রার্থী।
৩৩টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৪৯ জন এবং ১১টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে আছেন ৬৯ জন প্রার্থী। একটি ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ায় ৩২টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ভোট হবে।
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সবধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। তারা জানান, জটিলতা এড়াতে ভোট কেন্দ্রে রাখা হবে দেড়গুণ ইভিএম মেশিন।
রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী জানালেন, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আশা করি একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র বিবেচনায় মোতায়েন থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে যেতে পারে তার জন্য থাকবে ১১টি স্ট্রাইকিং ফোর্স ও রিজার্ভ টিম।
শনিবার অনুষ্ঠেয় এই ভোটে ৩৩টি ওয়ার্ডের তিন লাখ ৩৬ হাজার ৪৯০ ভোটার ১২৮টি কেন্দ্রে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট প্রদান করবেন। এর মধ্যে এক লাখ ৬৩ হাজার ৮৭১ জন পুরুষ এবং এক লাখ ৭২ হাজার ৬১০ জন নারী। এ ছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৯ জন।