ব্যাংক ডাকাতি ও ম্যানেজার অপহরণ এবং অস্ত্র লুটের পর স্থগিত হয়ে যায়, সশস্ত্র গোষ্ঠী কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট-কেএনএফের সাথে শান্তি আলোচনা। বৃহস্পতিবার বান্দরবান শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে, কেএনএফের বিরুদ্ধে চুক্তিভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়। এদিকে ব্যাংক ডাকাতির ঘটনায় থমথমে পাহাড়ের পরিবেশ।
রুমা-থানচি তো বটেই, বান্দরবান শহরেও ব্যবসা-বাণিজ্য প্রায় লাটে ওঠার জোগাড়। পুরো এলাকা জুড়ে অস্বস্তিকর নীরবতা। সামনে ঈদ। আসছে পর্যটন মৌসুম। কিন্তু ব্যাংক লুটের ঘটনায় এবার পর্যটন ব্যবসার সাথে জড়িতরা পথে বসার শঙ্কায় আছেন।
কিছুদিন আগেই পাহাড়ের নতুন সশস্ত্র গোষ্ঠী কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট বা কেএনএফ এর সাথে শান্তি আলোচনার উদ্যোগ নেয়া হয়। তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির সঙ্গে তাদের কয়েক দফা আলোচনাও হয়েছে। এরপরই ঘটলো ব্যাংক লুটের ঘটনা।
বৃহস্পতিবার সকালে প্রেস ব্রিফিং করে জানানো হয়, অপহৃতদের মুক্তি, অস্ত্র ও টাকা ফিরিয়ে দেবার আগে তাদের সাথে আর কোনো আলোচনা নয়।
এদিকে প্রথম ব্যাংক ডাকাতির ঘটনাস্থল রুমার কাছে বসানো হয়েছে সেনাবাহিনী ও এপিবিএন এর প্রহরা। থমথমে পরিবেশ রুমা-থানচি উভয় এলাকাতেই। তবে এখনও তিন ব্যাংক ডাকাতির ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি।