সুফল প্রকল্পের আওতায় শেরপুরের গারো পাহাড়জুড়ে তৈরি হয়েছে ভেষজ বাসক পাতার বাগান। কিন্তু দীর্ঘ তিন বছরের বেশি সময় পার হলেও পরিপক্ব বাসক গাছ থেকে পাতা সংগ্রহের কোনো উদ্যোগ নেই বন বিভাগের।
বাগানের অংশগ্রহণকারীরা জানান, সঠিক সময়ে পাতা সংগ্রহ না করার ফলে ঝরে পড়ছে পাঁকা পাতা। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা। এদিকে, দ্রুতই নিলামের মাধ্যমে বাসক পাতা সংগ্রহ শুরু হবে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।
গাছ একে একে থেকে ঝরে পড়ছে পাতা। শেরপুরের গারো পাহাড়ের শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার সীমান্তজুড়ে ভেষজ চিকিৎসায় ব্যবহার করা বাসক পাতার বাগানের চিত্র এটি।
গারো পাহাড়ের তিন রেঞ্জে ৬ হাজার ৫৮০ একর জমিতে ৬০ প্রজাতির প্রায় ৫০ লাখ গাছ রোপণ করে বন বিভাগ। এরইমধ্যে বাসক গাছে ছেয়ে গেছে পাহাড়। তবে তিন বছর পার হলেও পরিপক্ব গাছ থেকে বাসক পাতা সংগ্রহের কোনো উদ্যোগ নেই।
বাগান তৈরিতে অংশগ্রহণকারীরা জানান, বাসক গাছ লাগানোর ৬ মাস থেকে ১বছর পর থেকেই পাতা সংগ্রহ শুরু করা যায়। অথচ এখনো পাতা সংগ্রহ শুরু না হওয়ায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা।
অবশ্য পরিপক্ব বাসক গাছ থেকে পাতা বিক্রির উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বন বিভাগের রেঞ্জ অফিসার।
ময়মনসিংহ বন বিভাগের বালিজুড়ি রেঞ্জের রেঞ্জ অফিসার মো. সুমন মিয়া বলেন, পরিপক্ব বাসক গাছ থেকে পাতা বিক্রির উদ্যোগ চলমান রয়েছে। পাতা বিক্রির মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠী বিক্রির টাকা থেকে সুবিধা পাবেন।
টেকসই বন ও জীবিকা সুফল প্রকল্পের আওতায় ২০১৯-২০ থেকে ২০২১-২২ অর্থ বছরে বালিজুড়ি, রাংটিয়া ও মধুটিলা রেঞ্জের আওতায় ২৪৫ হেক্টর জমিতে লাগানো হয়েছে বাসক পাতার গাছ।