বন্যার্ত এলাকায় মানুষের দুর্ভোগ

দুর্ভোগ বাড়ছেই বন্যার্ত এলাকার বাসিন্দাদের। খাবার আর বিশুদ্ধ পানির সংকটে গাইবান্ধার ২০টি ইউনিয়নের মানুষ। আর, কুড়িগ্রামের চর এলাকার চাষের জমিসহ প্রায় আড়াই লাখ মানুষ পানিবন্দি। অন্যদিকে, সুনামগঞ্জে পানি কমলেও বাড়ছে পানিবাহিত রোগ।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার চর ও নিচু এলাকার রাস্তাঘাট এখনো পানির তলায়। ঘাঘট, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর পানি কমলেও বাড়ছে করতোয়া আর তিস্তায়।

স্থানীয়রা বলছেন, এখনো সেখানকার চাষের জমি পানির নিচে। এই অবস্থায় খাবার ও পানযোগ্য পানির সংকটে আছেন তারা। পাশাপাশি বেশিরভাগ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন বিভিন্ন রোগে।

কুড়িগ্রামেও পানিতে তলিয়ে আছে চরের চারণভূমি। দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকায় বেশিরভাগ ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। সংকট দেখা দিয়েছে মানুষ ও গবাদিপশুর খাদ্যের। এখনো বিপদ সীমার উপরে দুধকুমার ও ব্রক্ষপুত্র।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।

সুনামগঞ্জে বন্যার পানি কমার সাথে সাথে বাড়ছে পানিবাহিত নানা রোগ। সিরাজগঞ্জে পাঁচ উপজেলায় লাখো মানুষ এখনো পানিবন্দি।