ভালো নেই বরিশাল সদর উপজেলার চন্দ্রমোহনের জেলে পল্লীর বাসিন্দারা। বৈশাখ থেকে শ্রাবণ মাসে মাছের দেখা না পাওয়ায় কষ্টে দিন কাটছে তাদের। সরকারি খাদ্য সহয়াতায় চালও জোটে না কার্ডধারী সবার।
তেতুঁলিয়া নদীর তীর ঘেঁসে গড়ে ওঠা বরিশাল সদর উপজেলার একমাত্র জেলে পল্লী চন্দ্রমোহন। এই ইউনিয়নের ৬০ ভাগ মানুষই জেলে পেশায় জড়িত। শুধু পুরুষই নয় নারীরাও জড়িত এই পেশায়।
জেলেরা বলছেন, ভরা মৌসুমেও মাছ না পেয়ে কষ্টে আছেন তারা। তাদের দাবি, শীত মৌসুমে পাশের এলাকার জেলেরা বাঁধা জাল পেতে মাছের পোনা নষ্ট করায় ইলিশের দেখা মিলছে না।
মধ্য শ্রাবণ পাড় হলেও সাগরে ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে না। তবুও মাছের আশায় সাগরে যেতে জাল নৌকা প্রস্তুত করছেন জেলেরা।
এদিকে জেলে কার্ড থাকার পরেও সরকারি সহায়তা না পাবার অভিযোগ করছেন অনেক জেলে। ইউপি সদস্য, চেয়ারম্যানদের মন যোগাতে না পারলে মিলেছেনা কার্ডও।
এই বিষয়ে ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি ইসরাইল পন্ডিত বলছেন, সব জেলেদেরই খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতায় আনার কাজ চলছে।
চন্দ্রমোহন ইউনিয়নে ১৬’শ জেলে কার্ডধারী হলেও ৪০ কেজি করে বছরে তিন বার চাল পেয়েছেন মাত্র ৬শ ৮০ জন।
একাত্তর/ এনএ