নিজের সাহসিকতায় ধর্ষণের হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করেছেন এক পোশাকশ্রমিক (১৯)। ধর্ষণের চেষ্টাকারী যুবককে লাথি দিয়ে নিজের থেকে দূরে সরিয়ে দিয়ে পাহাড়ের ঝোপে লুকিয়ে ছিলেন সদ্য কৈশোর পাড় করা ঐ নারী। এরই মধ্যে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে ধর্ষণের চেষ্টাকারী যুবককে গ্রেপ্তার করে। তাঁর নাম মুরাদ হোসেন (৩৩)। বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) রাতে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার জালালাবাদ রেললাইনের পাশে এ ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনার শিকার ওই পোশাকশ্রমিক শুক্রবার গণমাধ্যমকে জানায়, নগরের বায়েজিদ বোস্তামী বালুচরা এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন তিনি।
রাত ১১টায় কারখানায় ছুটি হওয়ার পর এক সহকর্মীকে নিয়ে ফৌজি ফ্লাওয়ার মিলসংলগ্ন রেললাইনের পাশে বাসা দেখতে যাচ্ছিলেন। ওই সময় মুরাদ হোসেন তাঁর সহকর্মীকে আটকে মারধর করতে থাকেন। পরে মুরাদের সহযোগীরা তাঁর সহকর্মীকে নিয়ে যান। এদিকে মুরাদ তাঁকে টেনেহিঁচড়ে রেললাইনের পাশে পাহাড়ে নিয়ে যান।
একপর্যায়ে তাঁকে মাটিতে ফেলে দেন। ওই সময় তিনি পা দিয়ে মুরাদের মুখে আঘাত করেন। এতে মুরাদ যখন মাটিতে পড়ে যান, তখন দূরে পাহাড়ের ঝোপের মধ্যে লুকিয়ে যান তিনি।
বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, পোশাকশ্রমিকের সহকর্মীকে মারধর করে অক্সিজেন-হাটহাজারী সড়কের বটতল এলাকায় রেখে যান মুরাদের সহযোগীরা। ওই সময় টহল পুলিশকে তিনি বিষয়টি জানান। টহল পুলিশের পাশাপাশি ওসির নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ পাহাড়টি ঘিরে ফেলে।
রাত আড়াইটার দিকে ভুক্তভোগী পোশাকশ্রমিক পাহাড়টির ঝোপের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মুরাদও পাহাড়ে লুকিয়ে থাকেন। রাত চারটার দিকে তল্লাশি চালিয়ে তাঁকে ঝোপের ভেতর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মুরাদ এলাকায় বখাটে হিসেবে পরিচিত।
একাত্তর/এসএ