সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সিলেট বিআরটিএ অফিসে মানুষের জটলা লেগেই থাকে। তিন বছর আগে ফিঙ্গারপ্রিন্টসহ সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেও ডিজিটাল লাইসেন্স পাননি এমন মানুষের সংখ্যা প্রায় ২২ হাজার। ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদনের জট লেগেছে বিআরটিএ অফিসে।
২০১৯ সাল থেকে লাইসেন্স প্রিন্ট বন্ধ থাকায় এ জট লেগেছে বলে জানান বিআরটিএ কর্মকর্তারা। পুরনো লাইসেন্সের মেয়াদ বাড়াতে গিয়েও প্রতিদিন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন শত শত মানুষ।
সিলেট বিআরটিএ সহকারী পরিচালক প্রকৌশলী মো. সানাউল হক জানান, ২০১৯ সাল থেকে ঢাকায় লাইসেন্সের স্মার্টকার্ড ছাপা বন্ধ আছে। যে কারণে মানুষের এ দুর্গতি।
এদিকে, ডিজিটাল লাইসেন্স না হওয়ায় পেশাদার চালকদের ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে পুরনো লাইসেন্সের মেয়াদ বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। আর এখানেই দুর্নীতির আশ্রয় নিচ্ছেন অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। যদিও এমন দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে কোনো জবাব নেই বিআরটিএ কর্তৃপক্ষের কাছে।
আরও পড়ুন: ই-অরেঞ্জ অফিসে অভিযান, ভ্যাট ফাঁকির মামলা দায়ের
প্রকৌশলী মো. সানাউল হকের মতে, মানুষের চাপ বেশি থাকায় সময়মত সবাইকে সেবা দেওয়া যাচ্ছে না।
বিআরটিএ জানায়, ২০১৮ সালে নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাত্রদের আন্দোলনের ফলে এক বছরে বিশাল সংখ্যক মানুষ ড্রাইভিং লাইসেন্স করেন। এতে ডিজিটাল লাইসেন্স প্রদানকারী কোম্পানির সক্ষমতা ঘাটতি দেখা দেয়। সেই ঘাটতি এখনও কাটিয়ে ওঠতে পারেনি বিআরটিএ।
একাত্তর/আরবিএস