পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ঘুঘু ও শালিক পাখি শিকারের পর ফেসবুক লাইভে রান্না করে ভোজন করার দায়ে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং তা অনাদায়ে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (১২ নভেম্বর) বেলা বারোটার দিকে উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের আমতলী পাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদীক। এসময় কলাপাড়া বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোসারেফ হোসেন ও এনিমেল লাভারস অফ পটুয়াখালীর কলাপাড়া শাখার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে প্রশাসনের এমন পদক্ষেপের জন্য স্বাদুবাদ জানিয়েছেন সচেতন মহল।
দণ্ডপ্রাপ্ত যুবক হলেন মো. বায়েজিদ আমীন (২৭)। তার বাড়ি ওই ইউনিয়নের আমতলী পাড়া এলাকায়। এর আগে মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে বন্ধুদের নিয়ে ফেসবুকে লাইভে এসে তিনি ২০টি ঘুঘু ও শালিক পাখি রান্না করেন। তার এই ভিডিওটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি বন বিভাগ ও প্রশাসনের নজরে আসে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদীক বলেন, এনিমেল লাভারস অফ পটুয়াখালীর কলাপাড়া শাখার সদস্যদের মাধ্যমে খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করে এক যুবককে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পরে সে অর্থ পরিশোধ করে পাখি শিকার করবে না মর্মে মুচলেকা দিলে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। বাংলাদেশে সংরক্ষিত ৭০০ পাখি শিকার, হত্যা, আটক ও ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণ বেআইনি। ভবিষ্যতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।