হবিগঞ্জের হাওরে ধর্ষণের শিকার হওয়ার আট দিন পর আদলতে মামলা দায়ের করেছেন এক নববধূর স্বামী।
বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-দুইয়ের আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়।
আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলা রেকর্ড করার জন্য লাখাই থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। এরই মধ্যে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
হবিগঞ্জের লাখাই থানার ওসি সাইদুল ইসলাম জানান, তদন্তের স্বার্থে আটক অভিযুক্তের নাম প্রকাশ যাচ্ছে না। অন্য আসামিদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দ্রুতই তাদেরকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
২৫ আগস্ট দুপুরে লাখাই’র মোড়াকড়ি গ্রামের ছেলেটি তাঁর সদ্য বিবাহিত স্ত্রীকে নিয়ে টিক্কাপুড়া হাওড়ে নৌভ্রমণে যায়। নৌকায় নবদম্পতি, তাদের এক বন্ধু ও মাঝি ছিলেন।
সে সময় আরেকটি নৌকায় করে গ্রামের আট যুবক তাদের নৌকার গতি রোধ করে। তাদের নৌকায় উঠে ওই যুবকরা তাকে ও তার বন্ধুকে মারধর করে আটকে রাখে।
আরও পড়ুন: ছোট ভাইয়ের ভাসমান মরদেহ খুঁজে পেলো বড় ভাই
এক পর্যায়ে মেয়েটির ওপর পালাক্রমে নির্যাতন চালায়। এবং সেই দৃশ্য ভিডিও করে। নির্যাতিত মেয়ে এবং ছেলেটি আরো জানান, মুসা এবং দলের অন্যরা তাদের গ্রামেরই বাসিন্দা এবং ছেলেটির বন্ধু।
মেয়েটিকে হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসকরা জানান, প্রাথমিকভাবে মেয়েটি ওপর নির্যাতনের আলামত পাওয়া গেছে।
অবশেষে বৃহস্পতিবার মেয়েটির স্বামী হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-দুই আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলা রেকর্ড করতে লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন।
মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে মোড়াকড়ি গ্রামের মুসা, মিঠু, হৃদয়, সুজাত, জুয়েল, সোলায়মান রনি, ও শুভকে মিয়ার বিরুদ্ধে।
একাত্তর/এসজে