মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়িতে বন্যার পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। উপজেলার চার ইউনিয়নের দুই শত পরিবারের পাঁচ হাজার লোক পানি বন্দি রয়েছে। বিশুদ্ধ পানি, খাবার ও গো-খাদ্যের সংকটে মানবেতর দিন কাটছে এসকল মানুষের।
পদ্মার পানির তোড়ে হাসাইল-বানারী, কামারখাড়া, দিঘিরপাড়, পাঁচগাও ইউনিয়নের কয়েক শত পরিবারের বসত ঘর, মসজিদ, সড়ক সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের ঝুকিতে রয়েছে আরও মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল সহ সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
রোববার (৫ আগস্ট) উপজেলার হাসাইল-বানারী ইউনিয়নের চরঞ্চলের বানারী গ্রামে গিয়ে দেখা যায় বন্যায় পানিবন্দি হয়ে রয়েছে দুইশত পরিবার। বিশুদ্ধ পানি, খাদ্য ও গো-খাদ্য সংকটে রয়েছেন এ সকল পানিবন্দি সাধারণ মানুষ। নদীর পানি ঢুকে যাওয়ায় চরঞ্চলের সড়কগুলো সহ বিভিন্ন বাড়িঘর তলিয়ে গেছে। এতে দুভোর্গে পড়েছে সাধারণ মানুষ। অসহায় এ সকল সাধারণ মানুষের না খেয়ে দিন কাটাছে।
অনেক পরিবারের নদী গর্ভে বিলীন হয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। উপজেলা প্রশাসন থেকে কিছু সংখ্যক পরিবারকে খাদ্য সহযোগিতা ও বিশুদ্ধ পানি করণের ট্যাবলেট দেয়া হয়েছে।
হাসাইল-বানারী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আলী আকবর ঢালী জানান- এখনো সরকার থেকে কোন ত্রাণ সামগ্রী পাই নাই। উপজেলা প্রসাশন থেকে নামের তালিকা চেয়েছে। কিছু নামের তালিকা দিয়েছি। আরও ২শত নামের তালিকা দিবো। পানি বন্দি মানুষ গুলো অসহায় দিন যাপন করছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীন জানান- নদী গর্ভে বিলীন হওয়া অসহায় দরিদ্র পরিবারের মাঝে চাউল ও বিশুদ্ধ পানি করার জন্য ট্যাবলেট দেয়া হয়েছে। যারা পায় নাই তাদের তালিকা ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে। তালিকা পেলে দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী ও বিশুদ্ধ পানি করণের ট্যাবলেট বিতরণ করা হবে।
একাত্তর/এআর