সংস্কারের পরেই ধসে পড়ল সড়ক, জলে অর্ধ কোটি টাকা

খাগড়াছড়িতে সংস্কারের চার মাসের মাথায় আবারো ধসে পড়েছে সিন্দুকছড়ি-লক্ষীছড়ি সড়ক। এরই মধ্যে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। 

এলাকার লোকজন এর দায় দিচ্ছেন ঠিকাদারের ওপর। পাশাপাশি তারা বলছেন যে, কাজের সময় ঠিকঠাক দেখা শোনা করেনি এলজিইডি কর্তৃপক্ষ। 

খাগড়াছড়ির গুইমারায় সিন্দুকছড়ি-লক্ষীছড়ি সড়কের বাঁশপাড়া সংলগ্ন এলাকায় ২০১৯ সালে সড়ক রক্ষা প্রকল্প শুরু করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ।

প্রকল্পের কাজ শেষ হয় চলতি বছরের ৬ এপ্রিল। এতে ব্যয় হয় ৫৪ লাখ টাকা। কিন্তু চলতি মৌসুমে বর্ষার শুরুতেই ধসে পড়তে শুরু করে সড়কটি। 

ভাঙ্গন রোধে বল্লি প্যালাসাইডিং কাজ শেষ হবার চার মাস শেষ হতে না হতেই এবার খুঁটি ধসে যেতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্প বাস্তবায়ন গাফিলতি ছিলো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের। অথচ এরই মাঝে সব বিল উঠিয়ে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

সড়ক লাগোয়া খালে বিলীন হয়ে গেছে জিও ব্যাগ, দুই জায়গায় ধসে গেছে প্রায় ১২০ ফুট পাকা সড়ক। আরো বৃষ্টিতে বাকি অংশে ধসে গেলে, সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে যোগাযোগ। 

অথচ, সরকারি অর্থ গচ্চা গেলেও ঠিকাদার ও বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান এলজিইডি বলছে এটি প্রাকৃতিক বিপর্যয়। কোন দায়ভার নিতে নারাজ তারা।

দায়ভার এলজিইডি-র ওপর দিয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। আর দায় চাপাতে এলজিইডি বেছে নিলো প্রাকৃতিক দুর্যোগকে।  পাহাড়ি সড়কটি রক্ষায় ২০১৯ সালে বাংলাদেশ সরকার ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের অর্থায়নে ৫৪ লাখ টাকায়  প্রকল্প শুরু করে এলজিইডি। 



একাত্তর/এআর