বানের জলে ডুবে আছে পদ্মার পাড়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে উজানের ঢল ও বৃষ্টিপাতে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ৪ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ প্লাবিত হয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে কীভাবে পাঠদান অব্যাহত রাখা হবে তা নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে সংশয় দেখা দিয়েছে। 

এ উপজেলায় ৯২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে, এর মধ্যে ৪ টি বিদ্যালয় (দাতারা, শিলপড়ান, বরাইল ও মিতারা) এর মাঠে পানি ঢুকে গেছে। সবচেয়ে ঝুকিতে রয়েছে হাসাইল-বানারী ইউনিয়নের দাতারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বুধবার উপজেলার দাতারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের মাঠে পানি ঢুকে পড়েছে। দুটি ঘরের মধ্যে একটি ঘরে আশ্রয় নিয়েছে নদী ভাঙনে ভিটাহারা পরিবার। অপরটি খালি রয়েছে। বিদ্যালটি ঘেষে রয়েছে পদ্মানদী। যেকোন সময় বিদ্যালয়টি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দাদন দেওয়ান জানান, পদ্মার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদ্যালয়ের মাঠে পানি ঢুকে গেছে। বিদ্যালয়ের একটি ঘরে আশ্রয় নিয়েছে নদী ভাঙন পরিবার। ইতিমধ্যে ভাঙন রোধে উপজেলা প্রশাসন ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহযোগিতায় পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে ৩০ হাজার জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। 

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনজুমান আরা বেগম জানানম সরকারী নির্দেশনায় ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত রয়েছে। উপজেলার ৯২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৪টি বিদ্যালয়ের মাঠে বন্যার পানি ঢুকে গেছে। তবে বিদ্যালয়ে পাঠাদানের জন্য শ্রেণিকক্ষ প্রস্তুত রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীন ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জগলুল হালদার ভুতু পরির্দশন করেছেন। 

আরও পড়ুন: রাজধানীর পাশাপাশি গাজীপুরেও বাড়ছে ডেঙ্গুর বিস্তার

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীন জানান, বিদ্যালয় গুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। এর মধ্যে হাসাইল-বানারী ইউনিয়নের দাতারা সরকারী প্রাথীমক বিদ্যালয়টি ঝুকিতে রয়েছে। বিদ্যালয়ের মাঠে পানি ঢুকে গেছে। পদ্মার পাশে থাকায় ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে।


একাত্তর/এসএ