বেশিরভাগ জমিই তলিয়ে গেছে পানিতে। তবুও ফসল কাটার শেষ চেষ্টা করছেন সুনামগঞ্জের চাষিরা। বলছেন, ঋণ করে ধান রোপণ করেছেন তারা। কীভাবে তা পরিশোধ করবেন, কীভাবেই বা সারাবছর চলবেন? চোখেমুখে এখন শুধুই হতাশার ছাপ।
চারপাশে পানি আর পানি। আর সেই পানির নিচ থেকেই ধানকাটার অবিরাম চেষ্টা সুনামগঞ্জের মধ্যনগরের কৃষক অজিত সিংহের।
এই আধা কাচা ধান কেটে নৌকায় ভরে ঠেলে তা নিয়ে আসছেন ডাঙ্গায়। সেখানে অপেক্ষায় তার পরিবারের বাকি সদস্যরা।
ঋণ নিয়ে ফসল করেছেন অজিত। কিছুই তার অবশিষ্ট নেই। কী করে মেটাবেন ঋণের দায়, কীভাবেই বা চলবেন সারাবছর?
অজিতের মত বাকিরাও অবিরাম চেষ্টা করছেন অবশিষ্ট কিছু ধান কাটার। নষ্ট বা পচে যাওয়া ধানও কাটছেন তারা। এ যেন বেঁচে থাকার অবিরাম সংগ্রাম।
সেই ধান রাস্তার পাশে রেখে শুকানোর চেষ্টা করছেন তারা। যদিও সঠিক দাম না পাওয়ার অভিযোগ তাদের।
এদিকে হাওরের আশেপাশে বাধ ও কালভার্ট রক্ষায় কাজ করছে স্থানীয় প্রশাসন।
সুনামগঞ্জ মধ্যনগর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজয় ঘোষ জানান, সহায়তার জন্য ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করা হচ্ছে।
সবশেষ ২০২২ সালের বন্যায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল সুনামগঞ্জসহ আশেপাশের হাওর এলাকা।