করোনা সংক্রমণ কমলেও টিকাকেন্দ্রে ভিড় আরও বেড়েছে। কড়া রোদ উপেক্ষা করে কেন্দ্রের সামনে টিকার জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছেন বহু মানুষ।
কিন্তু দীর্ঘ অপেক্ষা করে টিকা না পেয়ে অনেকের কণ্ঠে ছিল ক্ষোভ। তবে সবাইকে ধৈর্য্য ধরার আহবান জানিয়েছে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।
সারাদেশে করোনা সংক্রমণ কমলেও জেলা উপজেলার টিকাকেন্দ্রে ভিড় কমেনি। মেহেরপুরে এপর্যন্ত নিবন্ধন করেছেন ২৫ লাখ ৮ হাজার ৩০৭ জন।
ভোর থেকে টিকা কেন্দ্রের বাইরে লাইনে দাঁড়ান বহু মানুষ। কড়া রোদে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা পর টিকা না পেয়ে ক্ষোভ ঝরে পড়ে অনেকের কথায়।
রোববার সকাল ৯টা। বরিশাল এ কে স্কুল কেন্দ্রে টিকা নিতে আসা মানুষের উপচে পড়া ভিড়। তীব্র গরমের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে টিকা নিয়েছেন মানুষ।
নগরীর ৫৪টি কেন্দ্রের ৬৭টি বুথে করোনার টিকা দেয়া হচ্ছে। সবখানেই কম বেশি একই চিত্র। নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই লাইনে দাঁড়িয়েছেন নগরীর মানুষরা।
শেরপুর সদর হাসপাতালেও প্রতিদিনই টিকা নিতে ভিড় করছেন শত শত মানুষ। সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে দায়িত্বরত নার্স ও স্বেচ্ছাসেবক সদস্যদের।
এদিকে, জয়পুরহাটের পাঁচ উপজেলার টিকা কেন্দ্রে আগ্রহীদের ভিড় বেড়েছে। এখন পর্যন্ত সেখানে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ টিকা নিয়েছেন।
তবে ভিন্ন চিত্র ঝালকাঠিতে। সদর হাসপাতালের দুই বুথে আগে যেখানে প্রতিদিন হাজারের বেশি মানুষ টিকা নিয়েছেন। এখন সেখানে টিকা নিচ্ছেন অর্ধেক মানুষ।
একাত্তর/এআর